দ্য ওয়াল ব্যুরো, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া শহর থেকে মুকুটমণিপুর যাওয়ার রাস্তার উপর প্রত্যন্ত গ্রাম চতুরডিহি। এই গ্রামেরই বাসিন্দা বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে বৃহস্পতিবার দুপুরের খাবার খেলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বাঁকুড়া শহর থেকে না হলেও ১০ কিলোমিটার দূরত্ব চতুরডিহি গ্রামের। বাঁকুড়া শহরের রবীন্দ্রভবনে বৃহস্পতিবার দিনভর সভা অমিত শাহের। সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদই তিনি পৌঁছে যান বাঁকুড়ায়। দুপুরের এক ফাঁকে প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী পরিবারে মধ্যাহ্নভোজ সারতে গেলেন তিনি। একুশের প্রস্তুতির এও যে এক অনুসঙ্গ।
রুটি-সবজির প্রাত্যহিক আহার নয়। এদিন দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে অমিত শাহের জন্য ছিল ভাতের সঙ্গে ডাল, আলু পোস্ত, করলা ভাজা, পটল ভাজা, বেগুন ভাজা, শাক ভাজা, পোস্ত বড়া, ডিংলার (কুমড়ো) ঝাল আর চাটনি। বাঁকুড়ার ঐতিহ্য মেচা সন্দেশও তুলে দেওয়া হয় দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাতে।
বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ অমিত শাহের কনভয় চতুরডিহি গ্রামে পৌঁছয়। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে আদিবাসী প্রথা মেনে অমিত শাহকে স্বাগত জানান স্থানীয় বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা ও তাঁর স্ত্রী। তারপরে ঘরে ঢুকলেন তিনি। খেজুর পাতার চাটাই পেতে আসন সাজানোই ছিল। কাঁসার থালায় কলাপাতা পেতে ভাত বেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।