বাড়ছে বেতন, আসন সংখ্যা, পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য কল্পতরু রাজ্য সরকার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য কল্পতরু হয়ে উঠল রাজ্য সরকার। একলাফে অনেকটা বাড়ল পার্শ্ব শিক্ষকদের বেতন। পাশাপাশি বাড়ানো হল নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের আসন সংখ্যাও।
এ দিন নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পার্শ্ব শিক্ষকদের সমাবেশে এ কথা ঘোষণা কর
শেষ আপডেট: 9 July 2018 11:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য কল্পতরু হয়ে উঠল রাজ্য সরকার। একলাফে অনেকটা বাড়ল পার্শ্ব শিক্ষকদের বেতন। পাশাপাশি বাড়ানো হল নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের আসন সংখ্যাও।
এ দিন নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পার্শ্ব শিক্ষকদের সমাবেশে এ কথা ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক মিলে পার্শ্ব শিক্ষকদের সংখ্যা ৪৮ হাজার। প্রাথমিক স্তরে পার্শ্ব শিক্ষকদের বেতন ৫,৯৫৪ টাকা থেকে অনেকখানি বাড়িয়ে করা হচ্ছে ১০,০০০ টাকা। একইসঙ্গে থাকছে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধাও। পাশাপাশি, বেতন বাড়ছে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে পার্শ্ব শিক্ষকদেরও। তাঁদের বেতন ৮,১৮৬ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ১৩,০০০ টাকা। এক্ষেত্রেও একইরকমভাবে থাকবে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধা। উভয়ক্ষেত্রেই পার্শ্ব শিক্ষকদের এই বর্ধিত বেতন ১ মার্চ ২০১৮ থেকে লাগু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও স্থায়ী শিক্ষিকাদের মতোই মহিলা পার্শ্ব শিক্ষকরাও পাবেন মাতৃত্বকালীন সুবিধা।
আরও পড়ুন: জয়া দত্তকে সরানো হয়েছে, অবশেষে মানলেন পার্থ
শুধু বেতন বৃদ্ধি-ই নয়, একইসঙ্গে বাড়ছে আসন সংখ্যাও। এ দিন নেতাজি ইন্ডোরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগে স্থায়ী শিক্ষকদের অনুপাতে পার্শ্বশিক্ষক নিয়োগ করা হত ১০ শতাংশ। এবার সেই পরিমাণ বাড়িয়ে করা হচ্ছে ৩০ শতাংশ। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, পার্শ্বশিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ থাকবে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত। অবসরের সময় এককালীন ১ লাখ টাকা পাবেন তাঁরা। একইসঙ্গে পাবেন প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধাও।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন মুখ্যমন্ত্রী সবসময় রাজ্যের সব মানুষের পাশে রয়েছেন। তিনি শিক্ষক, কৃষক, শ্রমীক সবার দাবি যতটা সম্ভব পূরণ করার চেষ্টা করেছেন। তবে কেউ অন্যায় দাবি জানালে তার সামনে মুখ্যমন্ত্রী লৌহ-মানবী। কোনও অন্যায় দাবি তিনি মানবেন না। ঘোষণার পাশাপাশি পার্শ্ব শিক্ষকদের কাছে তিনি আবেদন রাখেন, তাঁরা যাতে নিয়মিত স্কুলে যান এবং গুরুত্ব দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার বিষয়ে নজর দেন। কারণ স্থায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মতোই সমাজের গঠনে পার্শ্ব শিক্ষকদেরও সমান দায়িত্ব বলেই তিনি মনে করেন।