
শেষ আপডেট: 2 July 2023 10:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আর হাতেগোনা কয়েকদিন বাকি। সেই নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি এখন উত্তপ্ত। শাসক-বিরোধী সব শিবিরই উঠে পড়ে লেগেছে পঞ্চায়েত নিয়ে। প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনও। সুষ্ঠু ও অবাধ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ তাদের কাছে। এবারের নির্বাচনে স্পর্শকাতর বুথ কোনগুলো হবে, তা চিহ্নিত করার নির্দেশ দিল কমিশন। জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচন অফিসার ও জেলাশাসকদের এই মর্মে চিঠিও পাঠিয়েছে তারা।
এই চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, কোন কোন বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। বলা হয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেসব বুথে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল সেইসব বুথকেই এবারের ভোটে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচন অফিসারদের কাছ থেকে তালিকা চেয়েছে কমিশন।
স্পর্শকাতর বুথ ও এলাকা বেছে নিতে গতবারের ফলাফলের ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে কমিশন। বুথওয়াড়ি গত ভোটের ফলাফল বিচার বিবেচনা করে দেখতে বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব বুথে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল এবং বিজয়ী প্রার্থী ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, সেগুলোকে ক্রিটিকাল পোলিং বুথ বা স্পর্শকাতর বুথ বলে চিহ্নিত করতে হবে।
শুধু তাই নয়, যে নির্বাচনী বুথগুলিতে রিপোল না পুনরায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল সেগুলিকেও স্পর্শকাতর বুথের তালিকায় যোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে চিহ্নিত করতে হবে '১৮-র ভোটে কোথায় কোথায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল।
রবিবার পঞ্চায়েত নিয়ে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনার রাজীব সিনহা, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, ডিজি, এডিজি সহ অন্যান্য পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেও রাজ্যে যে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটছে সেই নিয়ে আলোচনা হয়।
কমিশনের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বিডিও, পঞ্চায়েত রিটার্নিং অফিসাররা তাঁদের এলাকা কতটা স্পর্শকাতর তা বিবেচনা করে দেখবেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় থানাকে নিজেদের মতামত জানাবেন। আগের ভোটে কোথায় কোথায় কারচুপির অভিযোগ ছিল, কোথায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, তা সবকিছুই নজরে রাখতে হবে বলেও কমিশন জানিয়েছে। গত ভোটে কোথায় কোথায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে ও এবার কোথায় কোথায় অশান্তির ঘটনা ঘটতে পারে, সে ব্যাপারে ধারণা করে কমিশনকে জানাতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহকে হিসেবের মধ্যে ধরতে হবে।
এভাবে স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ চিহ্নিত করে জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারকে দিতে হবে। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপাররাও নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন। শেষে, জেলাশাসক স্পর্শকাতর বুথ ও এলাকার চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে কমিশনকে পাঠাবেন।
যদিও নির্বাচন কমিশনার শনিবারই জানিয়েছেন, স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, জেলাশাসকদের থেকে তালিকা পাওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে 'শিবির' বদল! বিজেপি-শিন্ডে সরকারের সঙ্গে জুড়লেন অজিত, পেলেন উপমুখ্যমন্ত্রী পদ