
শেষ আপডেট: 9 September 2023 10:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের শিক্ষানীতির (State Education Policy) ভোলবদল ঘটেছে। পুরনো শিক্ষানীতির আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কর্মজীবনের ক্ষেত্রেও বদল আনা হয়েছে। নতুন শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষিকা (Teachers) তাঁর কর্মজীবনে অন্তত ৫ বছর গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতা করতে হবে (5 years in Village Mandatory)!
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য যে এমন নিয়ম আসতে চলেছে তা দ্য ওয়াল-এ আগেই লেখা হয়েছিল। রাজ্যের শিক্ষানীতি ঠিক করার জন্য একটি কমিটি তৈরি করেছিল শিক্ষা দফতর (Education Department)। সেই কমিটির দেওয়া সুপারিশে ছিল, ডাক্তারদের মতই রাজ্যের স্কুল শিক্ষকদের পাঁচ বছর বা সুবিধামতো সময়ের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে গ্রামে পাঠানো হোক।
কেন এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল? কমিটি সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছিল। কমিটির কথায়, জেলা ও গ্রাম স্তরে শিক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করে তোলা দরকার। সেখানে মেধার কমতি নেই। শহরের তুলনায় বুদ্ধিমত্তায় গ্রামের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে পড়ে। সেই মেধার বিকাশের জন্য তাঁদের ছোট থেকে ভাল করে গড়ে তোলা দরকার। সেই কারণেই এমন ব্যবস্থা করা হোক।
শিক্ষা কমিটির এই সুপারিশ নিয়ে দোলাচলে ছিল সরকার। প্রশ্ন উঠেছিল, আদৌ সরকার এই প্রস্তাবে মান্যতা দেবে কিনা। কিন্তু রাজ্যের নতুন শিক্ষানীতি প্রকাশ হতেই দেখা গেল, শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কমিটির সুপারিশই মান্যতা দেওয়া হয়েছে।
নয়া এই নীতিতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কর্মজীবনের পাঁচ বছর অন্তত গ্রামাঞ্চলে শিক্ষকতা করতে হবে। সেই সঙ্গে এই শিক্ষানীতিতে মাতৃভাষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ইংরেজি ভাষাকেও। শিক্ষানীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলা এবং ইংরেজি পড়তেই হবে পড়ুয়াদের। তৃতীয় ভাষা হিসাবে বাংলা, হিন্দি এবং সংস্কৃতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে রাজ্যের শিক্ষানীতিতে। জানা গেছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে নতুন শিক্ষানীতি বলবৎ হবে।
আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু নতুন শিক্ষানীতি, প্রিপ্রাইমারি ১ বছরের, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পদ্ধতিতে বদল!