রাজ্যপালের ডাকে কি পাত্তাই দিলেন না ডিজি-মুখ্যসচিব, দেড়ঘণ্টা পার, রাজভবনে দেখা নেই তাঁদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ধারির সময় ছিল সকাল ১০টা। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টা বেজে গেলেও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের ডাকে রাজভবনে গেলেন না রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা ও রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। রবিবার রাতেই জানা গিয়েছিল, রাজ্যের প্রশাসনিক দুই শীর্ষ
শেষ আপডেট: 16 December 2019 06:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ধারির সময় ছিল সকাল ১০টা। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টা বেজে গেলেও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের ডাকে রাজভবনে গেলেন না রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা ও রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। রবিবার রাতেই জানা গিয়েছিল, রাজ্যের প্রশাসনিক দুই শীর্ষ কর্তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। ওই সময়েই অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন, আদৌ এই দুই কর্তা রাজ্যপালের ডাকে সেখানে যাবেন কিনা। কিন্তু আজ দীর্ঘক্ষণ কেটে যাওয়ার পরও রাজভবনের গেটে দেখা গেল না মুখ্যসচিব ও ডিজিকে।
রাজ্যপাল দুই কর্তাকে তলব করার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠকে বসে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে তা সরকারি ভাবে কিছুই জানানো হয়নি। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্যপালের ডাকে সাড়া না দিয়ে রাজ্য প্রশাসনের দুই কর্তা বুঝিয়ে দিলেন, সঙ্ঘাত এবার আরও চরমে উঠবে।
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বাংলায় যে লণ্ডভণ্ড শুরু হয়েছে তা নিয়ে রবিবারই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল। তীব্র সমালোচনায় বিদ্ধ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে ও রাজ্যের মন্ত্রীদের। প্রশাসনিক কর্তাদের দিকেও আঙুল তুলেছিলেন ধনকড়।
সম্প্রতি দেখা গিয়েছে রাজ্যপাল কোনও জেলা সফরে গিয়ে সেখানকার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের ডেকে পাঠালেও তাঁরা যাচ্ছেন না দেখা করতে। শাসক তথা মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শেই তাঁরা তা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ক্যাব, এনআরস্যার বিরুদ্ধে সরকারের তরফে যে বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে তা নিয়েও রবিবার তোপ দেগেছিলেন রাজ্যপাল। বলেছিলেন, “একজন নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে সরকারের টাকায় এই ধরনের বিজ্ঞাপন করা যায় না। আমি তাঁকে বলেছি, এই বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করতে।”
সব মিলিয়ে রাজ্য সরকার বনাম রাজভনের যে সংঘাত চলছিল, সোমবার ডিজি ও মুখ্যসচিবের না যাওয়া সেটাকেই আরও চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া বলে মত পর্যবেক্ষকদের।