
শেষ আপডেট: 27 July 2023 11:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার স্কুল সার্ভিস কমিশন তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৯০৭ জন শিক্ষকের একটি তালিকা (SSC List) প্রকাশ করে। সেই তালিকায় থাকা প্রার্থীদের নম্বর ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, বলে সূত্রের খবর।
নবম-দশমের পর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র কারচুপির অভিযোগে এমন পদক্ষেপ করল কমিশন। প্রাপ্ত নম্বর ও ওএমআর শিটের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
সূত্রের খবর, এই ৯০৭ জনের মধ্যে ৭০০-র বেশি জন রাজ্যের কোনও না কোনও স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। শুধু তাই নয়, ৯০৭ জনের মধ্যে কারওর নম্বর ১ বাড়ানো হয়েছে, কারওর আবার ১০, কাউকে কাউকে আবার ৫০ নম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাড়ে ৫ হাজার জন চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ অভিযোগ করেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। ওএমআর শিটে কারচুপি করে 'অযোগ্য' প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশেই সিবিআই তদন্ত শুরু করে। তারপর কেন্দ্রীয় এজেন্সি আদালতে দাবি করেন, ৯০৭ জন চাকরিপ্রার্থীর ওএমআর শিট কারচুপি করা হয়েছে। এমনকী তাঁদের মধ্যে অনেকে চাকরি করছেন। সূত্রের খবর সেই সংখ্যাটা ৭০০ জনের বেশি।
হাইকোর্ট সেই ৯০৭ জনের নামের তালিকা ও ওএমআর শিট প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল। তারপর ৯০৭ জনের মধ্যে একাংশ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা শুনানি হয়।
দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পর সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্টের নির্দেশ সামান্য বদলায়। বলা হয়, ওএমআর শিট জনসমক্ষে না এনে মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। তবে নামের তালিকা প্রকাশের ব্যাপারে কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
উলুবেড়িয়ার বিডিওকে সাসপেন্ড করার সুপারিশ বিচারপতি সিনহার, ব্যালট বিকৃতির অভিযোগ