
শেষ আপডেট: 13 July 2023 12:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস ও হিংসার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল (C. V. Ananda Bose)। ভোটের সূচনা থেকেই রাজ্যপালের ভূমিকায় 'অতিসক্রিয়তা' দেখছে শাসকদল তৃণমূল।
এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ করা উচিত বলেও দাবি করেছেন তিনি।
স্পিকারের কথায়, ‘রাজ্যপালকে সবাই শ্রদ্ধা করে, আমরাও করি। কিন্তু ওনার সংযত হওয়া দরকার। হাইকোর্টের নোটিসে এই বার্তা দেওয়া উচিত। হাইকোর্ট তো এতকিছু দেখছে!’ হাইকোর্টে যারা মামলা লড়েন, সেই সমস্ত আইনজীবীর উচিত বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে আসা বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার। বস্তুত, এদিনই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে যান প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ সহ বিজেপির দিল্লির টিমের সদস্যরা। সঙ্গে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিএসএফের আইজি সতীশ চন্দ্র বুদাকোটিকেও ডেকে নেওয়া হয়। সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়েই রাজ্যপালের ‘আচরণ’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ।
আজ আদি নেপালী কবি ভানু ভক্ত আচার্যের ২০৯ জন্মজয়ন্তী। সেই উপলক্ষ্যে বিধানসভায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু ওই অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের কোনও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন না। এই বিষয়েও এদিন অনুযোগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে স্পিকারকে। বলেছেন, “আগের বিধানসভায় যারা বিরোধী (বাম-কংগ্রেস) ছিলেন, তারা প্রত্যেকে প্রত্যেকটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। এখন যারা বিরোধী দলে রয়েছেন, তাদের ভূমিকা হতাশা জনক। এরা বিধানসভার কোনও অনুষ্ঠানে আসে না। শুধুই রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করে।”
পঞ্চায়েত ভোটের সময়ই বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ- একযোগে রাজ্যে বড় ধরনের গোলমাল তৈরির চেষ্টা করেছিল বলেও এদিন অভিযোগ করেছেন স্পিকার। তিনি বলেন, একার শক্তিতে ওরা পেরে উঠছে না বলে সকলে মিলে জোট বেঁধে বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা করেছিল। যাতে ৩৫৫ জারি করা যায়। এখনও সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বাংলার মানুষ ওদের পাতা ফাঁদে পা দেননি। এবারের নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ হয়েছে।
পাটনায় ধুন্ধুমার, নীতীশের পুলিশের লাঠিতে নেতা হত, দাবি বিজেপির