দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন নেননি কেন সনিয়া গাঁধী, রাহুল গাঁধী? প্রশ্ন তুলে কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয় সংক্রান্তমন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। ভারতীয় ভ্যাকসিনে ওঁদের ভরসা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতাটি। অথচ ওয়েনাড়ের সাংসদ রাহুল টিকাকরণ উদ্যোগের বিস্তার নিয়ে রাজনীতি করে চলেছেন, বলেছেন তিনি।
কংগ্রেস নেতারা এব্যাপারে আগেকার অবস্থান পুরো বদলে ফেলেছেন বলে অভিযোগ তুলে প্রহ্লাদ বলেন, জানুয়ারি মাসে যখন ভ্যাকসিন দেওয়ার কর্মসূচি শুরু হয়, তখন তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতারা। কিন্তু এখন তাঁরাই ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। ডিজিসিআই দেশে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনতে ছাড়পত্র দেওয়া নিয়ে কংগ্রেসের প্রবল আপত্তি, বিরোধিতার কথাই বোঝাতে চান। কোভ্যাক্সিনের ফেজ থ্রির ক্লিনিকাল ট্রায়ালের তথ্য প্রকাশ না হতেই কেন তার সীমিত ব্যবহারে সম্মতি দেওয়া হল, প্রশ্ন তুলেছিল কংগ্রেস। যদিও বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করে দিতে, কোভ্যাক্সিন নিয়ে যাবতীয় সংশয় দূর করতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই তার ডোজ নেন। প্রহ্লাদ বলেন, আমরা জানুয়ারিতে যখন ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করি, কংগ্রেস নেতারা তার কার্য্যক্ষমতা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেন। এখন আবার নিচ্ছেন। কিন্তু আমি যতদূর জানি, সনিয়া ও রাহুল গাঁধী এখনও নেননি। ভারতীয় ভ্যাকসিনে ওঁদের আস্থাই নেই।
প্রসঙ্গত, কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন নিয়ে প্রথম আপত্তি জানিয়ে গতকাল সুর নরম করতে দেখা গিয়েছে সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদবকে। তিনি প্রথমে ভ্যাকসিনকে বিজেপি ভ্যাকসিন তকমা দেন, গতকাল সুর বদলে জানান, তিনি নিজে ভ্যাকসিন নেবেন, প্রত্যেককে নিতেও বলবেন। ট্যুইটারে লেখেন, সমাজবাদী পার্টি ‘বিজেপি ভ্যাকসিনে’র বিরোধী, তবে ‘ভারত সরকারের ভ্যাকসিনকে’ স্বাগত জানায়।
এদিকে প্রহ্লাদ জুলাইয়ে পূর্ব সূচি অনুসারেই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্র আশাবাদী বলে জানান। বলেন, সরকার সংসদ চালানোর ব্যাপারে প্রস্তুত। জুলাই নাগাদ সব সাংসদ, সংসদকর্মীর ভ্যাকসিন নেওয়া হয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।