শেষ আপডেট: 24 September 2020 09:33
আপাতভাবে ঐ স্থানীয় যুবককে গ্রেফতার করা হলেও মণ্ডল পরিবারের অন্যান্যদের প্রতিও কড়া নজরদারি ছিলো পুলিশের। শেষমেশ তাতেই এল সাফল্য। ঘটনার আট দিন পর খুনের অভিযোগে মৃত দম্পতির জামাই ও তার এক বন্ধুকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বুধবার রাতে হাবড়ায় নিজেদের বাড়ি থেকেই ধরা পড়ে এই দুই অভিযুক্ত। ধৃত অজয়ের বাড়িতে তার খাটের তলা থেকে একটি বন্দুকও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশসূত্রে জানা গেছে। তবে এটি খুনে ব্যবহৃত বন্দুক কিনা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারেনি হাবড়া থানার পুলিশ।
পুলিশসূত্রে জানা গেছে, পেশায় গাড়িচালক অজয়ের সঙ্গে প্রায় বছর তিনেক ধরে পরিচয় ছিল বান্টির। ইদানীং তারা একসঙ্গে ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করত। তদন্তকারী অফিসারেরা খোঁজখবর চালিয়ে জানতে পেরেছেন বাজারে কয়েক লক্ষ টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল বান্টির। সেই টাকা শোধ করার জন্য শ্বশুর- শাশুড়ির উপর জমি বিক্রির চাপ সৃষ্টি করছিল বান্টি। জমি বিক্রি করে বা অন্যভাবে জামাইকে টাকা দিতে রাজি না হওয়াতেই প্রৌঢ় শ্বশুর শাশুড়িকে খুন করার ছক কষে সে। এই কাজে বন্ধু অজয়কে সহযোগী হিসেবে নেয় সে। কাজ হাসিল হলে অজয়কে মোটা টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল বান্টি, এমনটাই জানা গেছে প্রাথমিক তদন্তে।
এদিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে তার স্বামীর বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি ওই মৃত দম্পতির মেয়ে। তিনি কিছু জানতেন না বলেই দাবি করেন। বুধবার ২৩ তারিখ রাতে বান্টিকে তার জয়গাছি এলাকার বাড়ি থেকে ও অজয়কে দক্ষিণ হাবড়ার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে হাবড়া থানার পুলিশ অফিসারেরা। ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে বৃহস্পতিবার তাদের তোলা হল বারাসত আদালতে।অপরাধী যেই হোক, তার যেন কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি হয়, এটাই দাবি মণ্ডল পরিবারের।