
শেষ আপডেট: 29 November 2020 18:30
অ্যাভোকাডোতে রয়েছে মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ফাইবার আর পটাশিয়াম যা এইচডিএল কোলেস্টেরল স্তরকে উন্নত করে। আর খারাপ বা এলডিএল কোলেস্টেরল স্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও এতে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। স্যালাদের সঙ্গে আরামসে পরিবেশন করা যেতে পারে অ্যাভোকাডোকে।
২. পনির
পনির অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। পনিরকে বিভিন্ন ভাবে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। পনিরে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি১২, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, প্রোটিনের মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। যা শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরী। পনির দুগ্ধজাত খাবার হওয়ার জন্য এতে ভাল ফ্যাটের পরিমাণ বেশি রয়েছে। এটা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকিকে অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
৩.ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেট যে কেবলমাত্র সুস্বাদু এমনটা নয়! এটা সুস্বাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যকরও। এতে রয়েছে ফাইবার, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়াও এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকেও কমাতে সাহিত্য করে।
৪. ডিম
বাজারে ডিমের কুসুমের অনেক দুর্নাম রয়েছে! অনেকেই মনে করেন কুসুমের মধ্যে থাকা ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরলকে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু গবেষণাতে দেখা গেছে ডিমের মধ্যে থাকা কোলেস্টেরল, খারাপ কোলেস্টেরলকে কোনওভাবেই প্রভাবিত করেনা। বরং পুরো ডিম শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে।
৫. চর্বিযুক্ত মাছ
সালমন, সার্ডিন ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩, ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভাল।
এছাড়াও আরও অনেক স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবার রয়েছে। যেগুলোকে চাইলে আপনি আপনার ডায়েট চার্টে রাখতেই পারেন। যেমন নারকেল, পূর্ণ ফ্যাটযুক্ত দই, বাদাম, আখরোট, জলপাই, ফ্ল্যাকসিড, সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি। এগুলো আপনার স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্যও খুবই উপকারি।