বসে খাওয়া কম, হোম ডেলিভারি বেশি, সামাজিক দূরত্ব থেকে স্যানিটাইজেশন: জানুন রেস্তরাঁ খোলার একগুচ্ছ নিয়ম
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৮ জুন থেকে আনলক পর্ব শুরু হবে দেশে, আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। এবার কী কী খোলা যাবে, সেখানে কী কী নিয়ম মানতে হবে, তার বিস্তারিত তালিকা ও গাইডলাইনও ঘোষণা করা হল। রেস্তরাঁ খোলার ব্যাপারে বেশ কিছু বিধি জারি করেছে সরকার। সেগুলি হল
শেষ আপডেট: 4 June 2020 17:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৮ জুন থেকে আনলক পর্ব শুরু হবে দেশে, আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। এবার কী কী খোলা যাবে, সেখানে কী কী নিয়ম মানতে হবে, তার বিস্তারিত তালিকা ও গাইডলাইনও ঘোষণা করা হল। রেস্তরাঁ খোলার ব্যাপারে বেশ কিছু বিধি জারি করেছে সরকার। সেগুলি হল:
-
১। আরও বেশি করে 'টেক অ্যাওয়ে'-র ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ বসে খাওয়া কম, বাড়ি নিয়ে যাওয়া বেশি হবে। যদি রেস্তরাঁর তরফে ডেলিভারি করা হয় বাড়িতে, তাহলে ডেলিভারিম্যান খাবারের প্যাকেট ক্রেতার দরজায় রেখে আসবেন। সরাসরি হাতে দেবেন না।
-
২। রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের তরফে নিয়মিত থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে ডেলিভারিম্যানদের।
-
৩। যে কোনও রেস্তরাঁয় ঢোকার সময়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা এবং থার্মাল স্ক্রিনিং করার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
-
৪। করোনার কোনও রকম উপসর্গ না থাকলে তবেই কাজ করতে বা খেতে আসা যাবে রেস্তরাঁয়।
-
৫। মাস্ক পরে থাকলে তবেই রেস্তরাঁয় ঢুকতে দেওয়া হবে। রেস্তরাঁর ভেতরেও মাস্ক পরে থাকতে হবে।
-
৬। রেস্তরাঁর বিভিন্ন জায়গায় কোভি ১৯ সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম ও গাইডলাইন লেখা পোস্টার, ছবি সেঁটে রাখতে হবে, যাতে ভাল ভাবে সকলে দেখতে পান।
-
৭। সামাজিক দূরত্বের বিধি পুরোপুরি মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষকে পর্যাপ্ত কর্মীর ব্যবস্থা করতে হবে।
-
৮। যে সমস্ত রেস্তরাঁ কর্মীর কোভিড ঝুঁকি বেশি, যেমন বয়স্ক বা অন্তঃসত্ত্বা কেউ, বা কেউ কোনও চিকিৎসার আওতায় আছেন-- তাঁদের অতিরিক্ত নজরে রাখতে হবে। সামনের সারিতে থেকে তাঁরা যেন কাজ না করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁরা যেন সরাসরি কারও সংস্পর্শে না আছেন। যাঁদের পক্ষে সম্ভব বাড়ি থেকে কাজ করা, তাঁরা যেন তাই করেন।
-
৯। পার্কিং লটে এবং রেস্তরাঁর সামনের চত্বরে ভিড় সামাল দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাঁরা অপেক্ষা করবেন, দূরে দূরে বসবেন। সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে।
-
১০। পার্কিংয়ে যে কর্মী থাকবেন তাঁকে মাস্ক ও গ্লাভস পরে থাকতে হবে। গাড়ির দরজা, চাবি-- এসব ব্যবহারের সময় স্যানিটাইজ় করতে হবে নিয়ম মেনে।
-
১১। ঢোকা এবং বেরোনোর আলাদা গেটের ব্যবস্থা করতে পারলে ভাল হয়।
-
১২। রেস্তরাঁর ভেতরে বসার ক্ষেত্রে বা বাইরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে পরস্পরের সঙ্গে অন্তত ছ'ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
-
১৩। রেস্তরাঁয় যত আশন, তার ৫০ শতাংশ সংখ্যক মানুষ বসে খেতে পারবেন একসঙ্গে।
-
১৪। মেনুকার্ডগুলি ডিসপোজ়েবেল করতে হবে। অর্থাৎ একজন দেখার পরে যাতে ফেলে দেন।
-
১৫। কাপড়ের ন্যাপকিনের বদলে পেপার ন্যাপকিন রাখতে হবে।
-
১৬। বুফে সার্ভিস চললে সেখানেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
-
১৭। লিফ্টে ওঠা মানুষের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
-
১৮। এসক্যালেটরে উঠতে হলে এক একটা ধাপ ছাড়া ছাড়া দাঁড়ানো ভাল।
-
১৯। ক্রস ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা রাখতে হবে রেস্তরাঁয়। এসি চালাতে হবে ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উষ্ণতায়।
-
২০। বড় জমায়েত কোনও ভাবেই অনুমোদিত নয়।
-
২১। নির্দিষ্ট সময় অন্তর জল খাওয়ার জায়গা, হাত ধোয়ার বেসিন, শৌচালয়-- সব স্যানিটাইজ় করতে হবে।
-
২২। সংস্পর্শ ছাড়া অর্ডার নেওয়া এবং ডিজিট্যালি বা অনলাইনে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
-
২৩। প্রতিটি ক্রেতা খেয়ে ওঠার পরে টেবিল স্যানিটাইজ় করতে হবে।
-
২৪। কিচেনেও সামাজিক দূরত্বের বিধি ও স্যানিটাইজেশনের নিয়ম মেনে চলতে হবে।
-
২৫। বাচ্চাদের খেলার কোনও জায়গা খোলা রাখা যাবে না।