দ্যা ওয়াল ব্যুরো: ট্রাকে পাঠাতে খরচ বেশি। তাই ঘোড়ার পিঠে করে নৌকো পাঠানো শুরু হল জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের বিভিন্ন গ্রামে। যদি এ বারও বর্ষায় বানভাসি হয়, মানুষজনকে উদ্ধারের জন্যই এই ব্যবস্থা।
গত বছরের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি এখনও টাটকা। তাই এ বার বর্ষা আসতেই বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে এসজেডিএ। প্লাবিত এলাকাগুলি থেকে মানুষদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য জলপাইগুড়ির সাতটি পঞ্চায়েত সমিতি ও আলিপুরদুয়ারের দুটি পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট ১৮টি নৌকো পাঠানো হল বৃহস্পতিবার।
আলিপুরদুয়ারের সোনাপুর থেকে এক্কাগাড়ি চেপে এ দিন পাড়ি দিল নৌকোগুলি। এর সবগুলিই তৈরি করা হয়েছে এখানে। কিন্তু ট্রাকের বদলে ঘোড়ায় টানা এক্কা গাড়ি কেন? প্রশ্নের উত্তরে মুচকি হেসে এসজেডিএর চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী বললেন, "এর পেছনে দুটো কারণ আছে। লরিতে পাঠালে ঝাঁকুনিতে নৌকোর ক্ষতি হতে পারে। আর লরির থেকে এক্কাগাড়ির খরচও যে অনেকটাই কম।"
জানা গেল, ওই পঞ্চায়েত সমিতিগুলিতে লরিতে করে নৌকো পাঠানোর খরচ যেখানে সাত থেকে আট হাজার টাকা, সেখানে এক্কাগাড়িতে তা হয়ে যায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকাতেই। একেকটা নৌকোয় তোলা যাবে ৩৫ থেকে ৪০ জনকে। নৌকো তৈরি ও পাঠানোয় খরচ হচ্ছে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।