Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিত

ট্রেনের চাকা পিষে দিল ছ’টি পূর্ণবয়স্ক শকুনকে, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন বন দফতর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাগাড়ে এক সময়ে দল বেঁধে ঘুরে বেড়াত ওরা। মরা জন্তু দেখলেই ঘিরে ধরে শুরু হত ভূরিভোজ। সেই দৃশ্য আজ আর দেখা যায় না! শহর এবং জেলার বিভিন্ন ভাগাড় থেকে কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে শকুনের ঝাঁক। শকুন বাঁচানোর চেষ্টায় কার্যত মরিয়া বন দ

ট্রেনের চাকা পিষে দিল ছ’টি পূর্ণবয়স্ক শকুনকে, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন বন দফতর

শেষ আপডেট: 1 February 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাগাড়ে এক সময়ে দল বেঁধে ঘুরে বেড়াত ওরা। মরা জন্তু দেখলেই ঘিরে ধরে শুরু হত ভূরিভোজ। সেই দৃশ্য আজ আর দেখা যায় না! শহর এবং জেলার বিভিন্ন ভাগাড় থেকে কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে শকুনের ঝাঁক। শকুন বাঁচানোর চেষ্টায় কার্যত মরিয়া বন দফতর। এরই মাঝে ফের শকুনের মৃত্যুতে মাথায় হাত পড়ে গেছে বনকর্মীদের। ঘটনা ঘটেছে গুলমা স্টেশনে। ট্রেন লাইনে পড়ে থাকা মৃত গবাদি পশু খেতে গিয়ে ট্রেনের চাকায় পিষে মৃত্যু হয়েছে ছ’টা পূর্ণবয়স্ক শকুনের। শিলিগুড়ি-আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে পড়ে গুলমা। বন দফতর সূত্রে খবর, গতকাল ট্রেনে কাটা পড়েছিল কোনও গবাদি পশু। সেই মৃতদেহ খাবার লোভেই লাইনের উপর ভিড় করেছিল শকুনের একটা দল। কিন্তু আচমকাই লাইনে ট্রেন চলে আসে এবং পিষে দেয় তার মধ্যে ছ’টিকে। ১৯৯০ সালে পর থেকে শকুনের সংখ্যায় মাত্রাতিরিক্ত ভাবে কমতে থাকে। হোয়াইট রাম্পড ভালচারের (Gyps bengalensis) পাশাপাশি কমতে থাকে আফ্রিকান গ্রিফন ভালচারের (Gyps fulvus)সংখ্যাও। ২০১৬ সালের একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় ধরা পড়ে বিশ্ব জুড়ে শকুনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০ হাজারে। তার মধ্যে সবার প্রথমেই রয়েছে ভারতের নাম। এর পরে নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নানা দেশ। রাজ্যের বন দফতর জানায়, ২০০৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সমীক্ষায় ধরা পড়ে, গ্রামাঞ্চলে গবাদি পশুর জন্য ‘ডাইক্লোফেন্যাক’ জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ওই সব পশুর মৃত্যুর পর সেগুলির মাংস খেয়ে মারা যেতে শুরু করে শকুনরা। কারণ, মৃত পশুর দেহে অবশিষ্ট থাকা ওই ওষুধের প্রভাব পড়ে শকুনের যকৃৎ, কিডনিতে। তা ছাড়া ভাগাড়ে নানা ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে থাকে। মাংসের সঙ্গে সেই সবও পেটে গিয়ে মারণ রোগ তৈরি করে শকুনের দেহে। ঝাঁকে ঝাঁকে পূর্ণবয়স্ক শকুন লোপ পেতে শুরু করে শহর ও গ্রামাঞ্চল থেকে। পরবর্তীকালে শকুন রক্ষায় নানা প্রকল্প নেওয়া হয়। উত্তরবঙ্গে তৈরি হয় শকুনের প্রজনন কেন্দ্র। কলকাতার ময়দানেও বছর কয়েক আগে কয়েকটি শকুনের বাসা নজরে আসে। পরিবেশবিদদের মতে, শকুনের ভূমিকা বাস্তুতন্ত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশের মরা, পচা মাংস খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়েই মৃত পশুদের সদগতি করে তারা। শকুনের অভাবেই ভাগাড়ের মাংস অসাধু ব্যবসায়ীদের হাত ঘুরে চলে আসছে খাবারের পাতে।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 


```