শেষ আপডেট: 31 January 2020 13:16
এভাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল নিদর্শনগুলি[/caption]
সূত্রের খবর, উদ্ধার হওয়া এই প্রাচীন মূর্তিগুলির দর আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ কয়েক কোটি টাকা হতে পারে। এই এলাকা থেকে এর আগে একসঙ্গে এতগুলি মূর্তি উদ্ধার হয়নি।
উদ্ধারের পরে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন এই নিদর্শনগুলিকে যেন যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করা হয়। দরকারে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে মূর্তিগুলি রাখার ব্যবস্থা করা হোক। এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে শুল্ক দফতরে। শুল্ক দফতর সূত্রে জানা গেছে, যাবতীয় নিয়ম মেনে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহশালায় নিদর্শনগুলি রাখার ব্যবস্থা করতে চায়। তার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে মূর্তিগুলি পরীক্ষা করে সেগুলির কাল ও ইতিহাসের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে। এই নিদর্শনগুলি পরীক্ষা করার জন্য ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালেয়র সঙ্গে যোগাযোগ করা শুরু হয়েছে।
বছর দুয়েক আগে ভারত-নেপাল সীমান্তের খড়িবাড়ির অনন্তরাম জোত থেকে তিনটি দুষ্প্রাপ্য প্রাচীন মূর্তি উদ্ধার করেছিল সশস্ত্র সীমা বল। এর মধ্যে দু’টি মূর্তি ছিল তামার তৈরি। সেগুলির আনুমানিক বাজার মূল্য ছিল প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।
[caption id="attachment_182505" align="aligncenter" width="864"]
উদ্ধার হওয়া বিষ্ণুমূর্তি[/caption]
এবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুল্ক দফতরের কর্তারা ফাঁসিদেওয়ার অদূরে বিধাননগরে অপেক্ষা করছিলেন। ধাওয়া করে তাঁরা একটি গাড়ি আটক করেন। গাড়ি ছেড়ে চালক পালিয়ে গেলেও এর সঙ্গে যুক্ত দু’জনের নাম জানতে পেরেছে শুল্ক দফতর। উদ্ধার হওয়া মূর্তিগুলির সব মিলিয়ে ওজন ১০০ কিলোগ্রামের বেশি হবে বলে ধারণা। উদ্ধারের পরে মূর্তিগুলি নিয়ে যাওয়া হয় ফুলবাড়িতে, সীমান্তের শুল্ক বিভাগে। সেখানে শিলিগুড়ি শুল্ক বিভাগের সহকারী কমিশনারের অফিসে মূর্তিগুলি পরীক্ষা করা হয়। মূর্তিগুলি পরীক্ষা করার সময় সেখানে শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপকরা।