
শেষ আপডেট: 2 April 2023 18:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝা (Raju Jha) খুনের ঘটনায় বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট (SIT) গঠন করল পুলিশ। সেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন। এ ছাড়াও রয়েছেন আরও ১১ জন সদস্য।
গতকাল, শনিবার রাতে কয়লা ব্যবসায়ী এবং এলাকার ডন রাজু ঝা শক্তিগড় এলাকায় নিহত হন শ্যুট আউটে। প্রথমে জানা যায়, তিনি সে সময়ে ছিলেন গরু পাচারে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আবদুল লতিফের সাদা রঙের চারচাকা ফরচুনা গাড়িতে। পরে জানা যায়, লতিফও ছিলেন রাজুর সঙ্গে। বরাতজোরে তিনি বেঁচে পালান। লতিফের গাড়ির চালক নুরুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শক্তিগড় থানায় আটক করে রেখেছে পুলিশ।
১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের শক্তিগড়ের ল্যাংচা হাবের আমড়ামোড়ে রাজু ঝার গাড়ি লক্ষ্য করে যখন গুলি চলে, সে সময়ে লতিফ যে সঙ্গে ছিলেন, তার একটি ভিডিও-সামনে এসেছে। যদিও সে ভিডিও-র সত্যতা 'দ্য ওয়াল' যাচাই করেনি। দেখুন সেই ভিডিও।
জানা গেছে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ নাগাদ দুর্গাপুর থেকে আবদুল লতিফের গাড়ি করে রাজু রওনা হন কলকাতার উদ্দেশে। লতিফ, রাজু এবং তাঁর সঙ্গী ব্রতীন গাড়িতে ছিলেন। লতিফের গাড়ির চালক নুরুল হোসেন গাড়ি চালাচ্ছিল। ঘন্টাখানেক পরে বিলাসবহুল গাড়ি এসে পৌঁছয় শক্তিগড়ে। সেখানে নেমে চা আর ঝালমুড়ি খান তাঁরা। তার পরে গাড়িতে ওঠার সময়েই নীল রঙের একটি গাড়িতে করে আততায়ীরা এসে পৌঁছয় এবং গাড়িতে উঠে বসা রাজুকে পরপর গুলি করে সরাসরি। গাড়িতে ওঠার মুখে গুলি লাগে ব্রতীনের হাতেও।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক থতমত ভাব কাটিয়ে সেখান থেকে তখনই পালিয়ে যান লতিফ। অন্যদিকে ঘাতক নীল গাড়িটিও কলকাতার দিকে চম্পট দেয় সবার চোখের সামনে। পরে অবশ্য স্টেশনের কাছে পাওয়া গেছে গাড়িটি। অনুমান, রাস্তা দিয়ে গেলে নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ার আশঙ্কায় স্টেশনের কাছে গাড়ি ফেলে ট্রেনে করে পালায় আততায়ীরা।
বর্ধমানের অনাময় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫২ বছরের রাজু ঝা-কে মৃত অবস্থাতেই আনা হয়েছিল। আহত ব্রতীন মুখোপাধ্যায়ের হাতে গুলি লেগেছে। তিনি এখন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি, অস্ত্রোপচার করে গুলি বার করা হয়েছে।
রাজু ঝা খুনে নয়া মোড়, আততায়ীদের গাড়ির মালিক কলকাতার মহিলা! কী জানালেন তাঁরা