
শেষ আপডেট: 29 July 2018 13:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একুশে জুলাই যখন ধর্মতলায় শহিদ স্মরণের সমাবেশ থেকে বিজেপি’র বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনই মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে সভা করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর ঠিক ন’দিনের মাথায় রবিবার রেজিনগরের স্টেশন সংলগ্ন মাঠে বিজেপি’র পাল্টা সভা করলেন রাজ্যের পরিবহণ ও পরিবেশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির তীব্র সমালোচনা করে ২০১৯-এ মমতাকে প্রধানমন্ত্রী করার ডাক দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, চন্দ্রবাবু নায়ডু থেকে রাম জেটমালানি, যশবন্ত সিনহা থেকে শত্রুঘ্ন সিনহার মতো নেতারাও চাইছেন মমতা দেশের নেতৃত্ব দিক। এই সভা থেকেই তিনি দাবি করেন, উনিশের ভোটে শুধু রেজিনগর বিধানসভা থেকেই ৫০ হাজারের বেশি ভোটে লিড করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রাক্তনমন্ত্রী তথা অধুনা বিজেপি নেতা হুমায়ুন কবীরকে ‘পচা মাল’ বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর জেলায় দাঁড়িয়ে তাঁর উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মন্ত্রী বলেন, বহরমপুর লোকসভা থেকে অধীরকে কীভাবে হারাতে হয় জানি। তাঁর অভিযোগ, অধীর চৌধুরীই মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপি’কে অক্সিজেন জোগাচ্ছেন। এ দিনের সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দুর প্রত্যয়ী ঘোষণা আগামী লোকসভা নির্বাচনে শাসক দল ৬০ শতাংশ ভোট পাবে।
শুভেন্দু অধিকারীর এ দিনের সভায় তৃণমূলে যোগ দেন পঞ্চায়েতে জয়ী বিজেপি’র ৬ জন ও সিপিএম-এর ২০ জন পঞ্চায়েত সদস্য। উপস্থিত ছিলেন একুশের মঞ্চে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস বিধায়ক আবু তাহের খান, আখরুর জামান, সিপিএম-এর প্রাক্তন সাংসদ মইনুল হাসান সহ জেলা তৃনমূলের নেতারা।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ইদানীং এইসবের প্রতিক্রিয়া দেন না। শুধু বলেন, “ভোটে হারজিত আছে। ইন্দিরা গান্ধীকেও হারতে হয়েছিল। উনিশের ভোটে যদি বহরমপুরে কংগ্রেস আমায় প্রার্থী করে তাহলে একার দমে লড়ব।”