
শেষ আপডেট: 11 September 2023 08:42
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছেন স্ত্রী। এরপরে বেশকিছু দিন ঘরছাড়া ছিলেন দম্পতি (Shantipur Couple)। অভিযোগ, পরবর্তীতে চাকরিতে যোগ দিতে চাইলে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteer) চাকরি থেকে অপসারিত করা হয়। তিনি রাজনীতির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের। তবে পুলিশের বক্তব্য, দীর্ঘদিন না জানিয়ে কাজে না আসাতেই তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কার্তিকের বক্তব্য, ১৬ অগস্ট স্ত্রীকে নিয়ে নিজের বাড়িতে ফেরেন তিনি। সাত সেপ্টেম্বর হোয়াটসঅ্যাপে কাজ থেকে অপসারণের কথা জানানো হয় তাঁকে। একইসঙ্গে তিনি জানান, না জানিয়েই ডিউটি থেকে সরেছিলেন। পরে আবার ডিউটিতে যোগ দেওয়ার জন্য থানার ওসিকে লিখিত দেন। কার্তিকের দাবি, বিয়ের আগে থেকেই বিজেপির কর্মী ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা বর্মন। শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২০১৮ সাল থেকে পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। এই বছরও পঞ্চায়েত সমিতির আসনে বিজেপি টিকিটে জয়লাভ করেন। তারপর রাজনৈতিক আক্রোশেই তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যদিও রানাঘাট পুলিশ জেলা সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন না জানিয়ে কার্তিক হালদার ডিউটি করেননি। নিয়ম অনুযায়ী তাই তাঁকে অপসারণ করা হয়েছে। শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেন, “উনি দীর্ঘদিন ডিউটি করেননি। তাই ওঁর অভিযোগ হাস্যকর। উনি যে সমস্ত অভিযোগ করছেন সেগুলো কি লিখিত আকারে কাউকে জানিয়েছিলেন?”
বিজেপির অবশ্য পাল্টা দাবি, প্রতিহিংসার রাজনীতি হয়েছে। দলের নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সোমনাথ কর বলেন, “তৃণমূল ও প্রশাসন একত্রিত হয়ে বিভিন্ন সময় তাঁদের কখনও প্রলোভন দেখিয়েছে, কখনও হুমকি দিয়েছে। তাঁকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন শান্তিপুর থানার ওসি। কথা না শোনায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে।”
কার্তিক হালদারের স্ত্রী সুপর্ণার দাবি, “সকলেরই গণতান্ত্রিক অধিকার আছে। আমি বিয়ের আগে থেকেই বিজেপি দল করি। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য ছিলাম। আমার স্বামী পুনরায় কাজে যোগদান করুক। এটাই চাই।”
আরও পড়ুন: বক্সার জঙ্গলে হরিণ শিকার করে মোচ্ছব! ২০ কেজি মাংস উদ্ধার