
শেষ আপডেট: 12 March 2023 12:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল একসময় হাটে 'মাগুর' মাছ বিক্রি করতেন। রাজ্য রাজনীতিতে এ কথা সকলেই জানেন। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পর বিরোধীরা কেউ কেউ মাগুর মাছ নিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ দেখিয়েছিল। সেই ছবি আপাতত অতীত। এখন অনুব্রত দিল্লিতে ইডি হেফাজতে রয়েছেন। তবে ফের একবার বাংলার রাজনীতিতে 'মাগুর মাছ' চর্চা শুরু হয়ে গেল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত হুগলির তৃণমূল (TMC) নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Shantanu Banerjee) নাম নাকি 'পাকা মাগুর'! এমনটাই দাবি বলাগড়ের বাসিন্দাদের।
কেন এমন নাম?
হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে খুব পরিচিত নাম শান্তনু। হুগলিতে শান্তনুর উত্থান ধূমকেতুর মতো। ২০০৫-০৬ সালে কসমেটিক্স ও মোবাইল রিচার্জের দোকান খুলেছিলেন তিনি। তারপর চাকরিতে ঢোকেন। তারপরের পর্ব ইতিহাস। বিদ্যুৎ গতিতে সম্পত্তি বাড়িয়েছে শান্তনু। চাকরি ছেড়ে ব্যবসা।
মাটি-ছাই-টাকা, শান্তনুর সম্পত্তির বটবৃক্ষের শিকড় গভীরে, কুন্তলের সঙ্গে জুটিও ছিল মজবুত
এখন বলা যায় হুগলিতে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক এই শান্তনু। হোটেল, রিসর্ট, ধাবা-- কী নেই তাঁর! গ্রেফতার হওয়ার পরই শান্তনুর একের পর এক সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। কোথাও জমি কিনে রেখেছেন তো কোথাও আবার ফ্ল্যাট। যা দেখে হতবাক স্থানীয়রাও।
শান্তনুর এই এত বিপুল সম্পত্তি দেখে বলাগড়ে বলাবলি শুরু হয়ে গেছে শান্তনু একটা পাকা মাগুর। স্থানীয়দের কথায়, 'তলায় তলায় অনেক টাকা করেছে শান্তনু। কিন্তু এমন ভাব রাখত যেন কিছুই জানে না। মাগুর মাছ যেমন জলের তলায় থাকে যাকে সহজে ধরা যায় না, তেমনই শান্তনুও। তাই ওর নাম দিয়েছি আমরা পাকা মাগুর।'
শুধু নিজের নামে নয়, স্ত্রীর নামেও রয়েছে একাধিক সম্পত্তি। বাড়ি ফ্ল্যাটে ছড়াছড়ি। কীভাবে এত টাকার সম্পত্তি করল শান্তনু তা নিয়ে যেমন এখনও ধন্দে তদন্তকারী দল তেমনই ধোঁয়াশায় রয়েছেন প্রতিবেশীরাও।
‘শান্তনুর মতো ছেলে হয় না, ওকে ফাঁসানো হয়েছে’, বলছেন শাশুড়ি