১২ তারিখ থেকে আংশিক স্কুল খুলে গেলেও, রাজ্যে এখনই খুলছে না কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। আজ, বুধবার উপাচার্যদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বৈঠক ছিল, সেখানে এই সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, আপাতত অনলাইনেই চলবে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস। শুধু তাই নয়, সেমেস্টারের আসন্ন পরীক্ষাও হবে অনলাইনে।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "হস্টেলগুলি এখন খোলা হবে না। শুধু গবেষকদের জন্য খোলা থাকবে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি। হস্টেল না খুললে ছাত্রদের পক্ষে অসুবিধাজনক। তাই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এখনও খুলছে না। এছাড়া বিজোড় সংখ্যার যে সব সেমেস্টার রয়েছে অর্থাৎ তৃতীয় বা পঞ্চম সেমেস্টার, সে সব সেমেস্টারের পরীক্ষা অনলাইনেই হবে।"
কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখে স্কুল খুলে কলেজ না খুললেও, সরস্বতী পুজোর অনুমতি দিয়েছে শিক্ষা দফতর। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো করা যাবে কিনা তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনার ওপর। সব কিছু কোভিড স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে করতে হবে।’"
এদিন বৈঠকে বেশিরভাগ উপাচার্য যুক্তি দেন, বহু কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরে থেকে পড়ুয়ারা পড়তে আসেন। তাই হস্টেল খোলাটা জরুরি। কিন্তু বর্তমান কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হস্টেল খোলা সম্ভব নয়। তবে অনেক পরীক্ষাও বাকি আছে। সেগুলিও অনলাইনে নিতে হবে। তবে বিজোড় সংখ্যারগুলি। জোড় সংখ্যার সেমেস্টার বিষয়ক সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে।
অর্থাৎ আপাতত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পঠনপাঠনই শুরু হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, পঠনপাঠন কী ভাবে এগোবে এ নিয়ে সবিস্তার আলোচনা হয়েছে। অভিভাবকদের মতামতও নেওয়া হয়েছে। তার পরেই রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে স্কুলগুলি।