শেষ আপডেট: 27 December 2019 07:45
এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ সাহা বলেন, “আগে কোনওদিন ওকে গাড়ি চালাতে দেখিনি। শুনলাম ওর কোনও এক বান্ধবী একটি স্কুটি কিনে সেটি দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল, তখনই ববি সেটি চেয়ে নেয়। ওকে গাড়ি চালাতে দেখে প্রথমেই মনে হচ্ছিল দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে ফেলে। অল্পক্ষণের মধ্যেই দেখি ওর বাবা জোরে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে। তখনই বুঝি দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার পরে প্রাথমিক চিকিৎসা করেই ওর বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছিল। ওর বন্ধুও আহত হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি।”
দুর্ঘটনার পরে ববি ও অঙ্কিতাকে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ববির আঘার গুরুতর দেখে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাকে আরজি কর হাসপাতালে রেফার করে দেওয়া হয়। অঙ্কিতাকে রেফার করা হয় বারাসত হাসপাতালে। আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তাতেই মৃত্যু হয় ববির। তখন তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় হাবড়া হাসপাতালে।
ববির আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকার মানুষজন শোকাহত হয়ে পড়েছেন। ঘটনা বৃহস্পতিবারের হলেও শুক্রবারও রাস্তার ধারেই পড়েছিল ওই স্কুটিটি। সেটি আসলে কার, সে কথা এখনও জানা যায়নি। ববির মা-বাবাও জানেন না কার থেকে স্কুটি নিয়ে চালাচ্ছিলেন তাঁদের মেয়ে। এখনও ওই গাড়িটির কোনও দাবিদারও পাওয়া যায়নি। গাড়িটি অঙ্কিতার নয় বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছে। ববির মৃত্যুর পরের দিনও দুর্ঘটনাস্থলের কাছে জটলা দেখা যায়।