
শেষ আপডেট: 7 January 2019 18:30
বর্ধমানের পালসিটেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পরীক্ষার্থীদের। অভিযোগ, বাসের মধ্য়ে পরীক্ষার্থীদের আটকে রাখা হয়, অনেক অনুরোধের পরও তাদের স্কুলে যেতে দেওয়া হয়নি। ধর্মঘটের প্রথম দিনে সকাল থেকেই তেতে উঠেছিল বর্ধমানের পালসিট এলাকা। সরকারি-বেসরকারি বাস দেখলেই ঢিল ছো়ড়া শুরু হয়। এর জেরে বেশ কয়েকটি স্কুল বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা যাচ্ছে। জলপাইগুড়িতেও মিছিলের মধ্য়ে থেকেই কয়েকজন বনধ সমর্থক বেরিয়ে স্কুল বাস ভাঙচুর করতে শুরু করে। এনজেপি স্টেশন এলাকার সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।
প্রশ্ন উঠছে, ধর্মঘটে কেনও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হলো পড়ুয়াদের। কেন পরীক্ষার্থীদের অনুরোধকে গুরুত্ব দেওয়া হলো না। পরিবহন দফতর সূত্রে এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে, রাজ্য়জুড়ে মোট ১১টি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। এই ধর্মঘটে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের কাছে বড় চ্য়ালেঞ্জ ছিল। সেই কারণেই ধর্মঘটের প্রথম দিনেও খুলে রাখা হয় স্কুল-কলেজ। তবে, বিভিন্ন জেলায় স্কুল বাসগুলির উপর হামলায় বেশ আতঙ্কে সাধারণ মানুষ। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, আগামিকাল ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে পরিস্থিতি হয়ত আরও ভয়ানক হবে। হয়ত ফের স্কুল পড়ুয়াদের আটকে তাণ্ডব চালাবে বিক্ষোভকারীরা।
পড়ুন-
https://www.four.suk.1wp.in/biman-basu-shyamal-chakraborty-throw-challenge-to-jyotipriyo-over-strike/