
শেষ আপডেট: 21 October 2023 17:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: অর্ধ রাত্রির পুজো। কথিত আছে, আগে নরবলি হত। এখন চালের গুঁড়ো দিয়ে মানুষের রূপ বানিয়ে কুশ দিয়ে বলি দেওয়া হয়। বৈকুণ্ঠপুর রাজ পরিবারের আজও এই প্রথা চলছে। এবারে সপ্তমীর রাতেই অষ্টমী লেগে যাবে। তাই আজ শনিবার রাতেই অনুষ্ঠিত হবে এই নরবলির পুজো।
এ বছর ৫১৪ বছরে পা দিল জলপাইগুড়ির বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজো। প্রথা মেনে রাজবাড়ির বেলতলায় পুজো দেওয়ার পর নবপত্রিকা স্নান হয়। এরপর অধিষ্ঠিতা তপ্ত কাঞ্চনবর্ণা দেবীকে স্নান করিয়ে শুরু হয় মহাসপ্তমীর পুজো। রাজবাড়ির পুজো হয় কালিকা পুরাণ মতে। পুজোয় প্রতিদিন আমিষ ভোগ দেওয়া হয়। ভোগে পাঁচ রকমের মাছ, হাঁসের ডিম, পাঁঠার মাংস নিবেদন করা হয়। পুজো দেখতে সকাল থেকেই ভিড় জমান ভক্তরা।
রাজ পরিবারের বধূ লিন্ডা বসু বলেন, “যা যা নিয়ম নিষ্ঠা রয়েছে তা আমরা অক্ষরে অক্ষরে মানি। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সকাল থেকেই পুজো দেখতে আসছেন দর্শনার্থীরা।”
রাজবাড়ির পুরোহিত শিবু ঘোষাল জানান, রাজবাড়ির পুজোর বিশেষ আকর্ষণ অর্ধরাত্রির পুজো রাতে অষ্টমী তিথি লাগলেই এই পুজো করা হয়। সেই সময় নাটমন্দির চত্বর ঘিরে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “কথিত আছে একসময় নরবলি দেওয়া হত। তবে এখন নরবলি হয় না। এখন চালের গুড়ো দিয়ে মানুষের মূর্তি বানিয়ে কুশ দিয়ে বলি দেওয়া হয়। রাতে বলি দেওয়া হয় ৮ টা পায়রা। এই পুজোর সময় রাজ পরিবারের সদস্য ছাড়া আর কাউকে থাকতে দেওয়া হয় না।”