Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

সন্ধ্যায় মন্ত্রিসভার রদবদল, মোদীর বাড়িতে শান্তনু, নিশীথ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হলে বাংলা থেকে দুই বিজেপি সাংসদের কপালে যে শিঁকে ছিড়তে পারে তা দ্য ওয়ালে অনেক আগেই জানানো হয়েছিল। সুস্পষ্ট করে এও লেখা হয়েছিল যে সে ক্ষেত্রে আঞ্চলিক আবেগের কথা মাথায় রেখে উত্তর

সন্ধ্যায় মন্ত্রিসভার রদবদল, মোদীর বাড়িতে শান্তনু, নিশীথ

শেষ আপডেট: 7 July 2021 08:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হলে বাংলা থেকে দুই বিজেপি সাংসদের কপালে যে শিঁকে ছিড়তে পারে তা দ্য ওয়ালে অনেক আগেই জানানো হয়েছিল। সুস্পষ্ট করে এও লেখা হয়েছিল যে সে ক্ষেত্রে আঞ্চলিক আবেগের কথা মাথায় রেখে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। শেষমেশ হলও তাই। বুধবার সন্ধ্যা ৬ টায়, রাইসিনা হিলে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা শপথ বাক্য পাঠ করবেন। তার আগে এদিন সকালে ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। যার অর্থ পরিষ্কার। শেষ মুহূর্তে কোনও অঘটন না ঘটলে সন্ধ্যায় তাঁরা দুজনেই শপথ নেবেন। সম্ভবত দুজনকেই প্রতিমন্ত্রী করা হবে। এমনিতে প্রতি মন্ত্রীদের বিশেষ কাজ থাকে না। মন্ত্রকের পূর্ণ মন্ত্রীরা সাধারণত তাঁদের বিশেষ কাজ দিতে চান না। আদি অনন্ত কাল ধরে এই সমস্যা চলেই আসছে। তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সম্প্রসারণের কার্যকারণ যতটা প্রশাসনিক ততটাই রাজনৈতিক। উনিশ ও একুশের ভোটে মতুয়া সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ বিজেপির প্রতি আস্থা জানিয়েছে। মতুয়ারা ঐতিহাসিক ভাবে সমাজের অনগ্রসর অংশ। বিজেপি নেতাদের মতে, তাঁদের এক জন প্রতিনিধি কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে তা মতুয়াদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ণের ক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে। গোটা সম্প্রদায়ের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আবার কোচবিহার তথা উত্তরবঙ্গে বিজেপির জনভিত্তি আগের তুলনায় অনেক মজবুত হয়েছে। ধারাবাহিক ভাবে সেখানে রাজনৈতিক সাফল্যও পাচ্ছে বিজেপি। সেই জনভিত্তি ধরে রাখতেই রাজ্যের দুই নেতার রাজনৈতিক ওজন বাড়াতে চাইলেন মোদী-শাহ। উনিশের ভোটে বাংলায় ১৮ টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। সেই নিরিখে বিধানসভার ভোটে বিপর্যয় হয়েছে। জেপি নাড্ডারা যদিও দেখাতে চেয়েছেন যে বিজেপি বিধানসভায় ৩ থেকে ৭৭ হয়েছে। অর্থাৎ বাংলায় বিজেপি বেড়েছে। সেই রাজনৈতিক উত্থানের পথ প্রশস্ত করতেই বুধবার মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের ছবিতে বাংলারও স্থান হল। এখন দেখা যাক. নিশীথ ও শান্তনু মন্ত্রী হয়ে কতটা কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে।

```