
শেষ আপডেট: 28 August 2020 14:05
সারা রাজ্যে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার এইরকম কর্মী রয়েছেন। বনগাঁ মহকুমা অঞ্চলে রয়েছেন ৩৮ জন।দুর্গাপুরে সংখ্যাটা প্রায় ৯০। রাজ্য সরকারের সামাজিক সুরক্ষা যোজনা প্রকল্পে কাজ করতেন এরা। বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে স্থায়ীভাবে অসংগঠিত শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে নির্মাণ, পরিবহন সহ ৬১ ধরনের পেশায় কর্মরত শ্রমিকদের নাম নথিভুক্তকরণের দায়িত্ব ছিল এই কর্মীদের । এর পাশাপাশি নিজস্ব অঞ্চলে সামাজিক সচেতনতা প্রচার প্রক্রিয়ার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এই সব কর্মীরা।
কিন্তু সাম্প্রতিককালে অসংগঠিত শ্রমিকদের বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা দানের কথা ঘোষণা করে শ্রমদপ্তর। সেই ঘোষণার পর অসংগঠিত শ্রমিকেরা টাকা জমা বন্ধ করে দেন। এর ফলে উপার্জনও বন্ধ হয়ে যায় ওই এসএলও কর্মীদের। দীর্ঘ পাঁচ মাস বেতন না হওয়ার কারণে পরিবার নিয়ে সমস্যায় ভুগছিলেন তারা। তার উপর দেশের করোনা পরিস্থিতির ক্রম-অবনতি আর টানা লকডাউনে সংকট আরও বেড়েছে।
জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, লেবার কমিশন, সব জায়গায় আবেদন করেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় নিরুপায় হয়েই আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বেতন এবং কর্ম নিশ্চয়তা চেয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আবেদন করেছেন তারা। ভালোভাবে বাঁচার সেই শেষ চেষ্টাও যদি ফলপ্রসূ না হয়, তাহলে অন্ততপক্ষে স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ করবার অধিকারটুকু যেম তাদের দেওয়া হয়, আবেদনপত্রে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন ওই দুঃস্থ কর্মীরা।
