
শেষ আপডেট: 4 May 2023 13:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাগরদিঘির উপনির্বাচনে (Sagardighi bypoll) তৃণমূলের হার বাংলার রাজনীতিতে কার্যত গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে। বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জেতা আসন ২৩ হাজারে হারা, সংখ্যালঘু আধিক্যের কেন্দ্রে তৃণমূলের এ হেন মুখ থুবড়ে পড়া নিয়ে ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ কম নেই। তারমধ্যেই বৃহস্পতিবার মালদহের ইংরেজ বাজারের সভা থেকে ইঙ্গিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বোঝাতে চাইলেন, সাগরদিঘিতে টাকার ব্যবহার হয়েছিল।
এদিন দিদি বলেন, ‘টাকা দিয়ে লোক কেনা! সাগরদিঘির কেস আমি জানি। টাকাটা কে দিয়েছে, কী করে দিয়েছে, কোথা থেকে দিয়েছে!’
পাল্টা রাজ্য কংগ্রেসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আসলে তৃণমূলের টাকার কাছে সাগরদিঘির মানুষ বিক্রি হয়নি, দিদির ভাইও তাই সেখানে জিততে পারেননি। একটা হারেই এত মাথা গরম করলে চলবে? সামনে আরও দুর্দিন অপেক্ষা করছে!’
মমতা এদিন আরও বলেন, ‘ওদের গ্যাসবেলুন ক্যাশ বেলুন হয়েছে, এই ক্যাশটা আবার অ্যাশ হয়ে যাবে। আর অ্যাশ হয়ে গেলে ভ্যানিশ হয়ে যাবে।’ এদিন নাম না করে আইএসএফের উদ্দেশেও আক্রমণ শানান মমতা। তৃণমূলনেত্রীর কথায়, ‘ইদানীং এখানে আরএকটা পার্টি হয়েছে। হায়দরাবাদের সঙ্গে যাদের যোগাযোগ আছে। আর বলছে বিজেপি খুব ভাল। তা তো হবে টাকাটা তো খুব ভাল।’
২০০৯ থেকে বাংলায় বামেদের দিক থেকে সংখ্যালঘু ভোট সরতে শুরু করেছিল। ’১১ সালে দিদি ক্ষমতায় আসার নির্বাচন থেকে একুশের ভোট পর্যন্ত দেখা গিয়েছে, সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের পুঁজি হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই সাগরদিঘির হার বাড়তি তাৎপর্য যোগ করেছিল।
ফলাফলের পর থেকেই তৃণমূল বলতে শুরু করেছিল, সাগরদিঘির ফলাফল বিক্ষিপ্ত ঘটনা। তারপর দেখা গিয়েছিল সংখ্যালঘু ভোটকে অটুট রাখতে একাধিক সাংগঠনিক পদক্ষেপও করেছেন দিদি। কিন্তু এদিন সরাসরি মমতা অভিযোগ করলেন, সাগরদিঘিতে টাকার কাছে হারতে হয়েছে তৃণমূলকে।
মমতা কাল 'রাম ধাক্কা খেয়েছেন ট্রেনে', রেলের হাল দেখে কান্না পাচ্ছে দিদির