
শেষ আপডেট: 14 March 2022 08:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ইউক্রেনে অপ্রত্যাশিত প্রতিরোধের মুখে পড়েছে রাশিয়া (Russia Ukraine)। এমনই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সম্প্রতি আমেরিকা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ অফিসাররা জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin) যুদ্ধ চালানোর জন্য চিনের (China) সামরিক সাহায্য চেয়েছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট চিনের থেকে সাহায্য চাইছেন শুনে অনেকের ধারণা হয়েছে, পুতিন যত সহজে ইউক্রেনকে পরাজিত করতে পারবেন বলে ভেবেছিলেন, বাস্তবে তা সম্ভব হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন অফিসার বলেন, পুতিন চিনের থেকে ঠিক কী ধরনের সামারিক সাহায্য চেয়েছেন জানা যায়নি। সামরিক সাহায্য চাওয়ার কথা কোন সূত্র থেকে জানতে পেরেছেন, তাও বলেননি মার্কিন অফিসাররা। একটি সূত্রে খবর, ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরেই পুতিন চিনের সাহায্য চেয়েছিলেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা নিয়ে প্রথমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছে আমেরিকা ও চিন। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার রোমে (Rome) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন চিনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ইয়াং জিচি।
বাইডেন প্রশাসন চায়, ইউক্রেনে হামলা বন্ধ করার জন্য রাশিয়ার ওপরে চাপ সৃষ্টি করুক চিন। বর্তমানে চিনই রাশিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র। ইউক্রেনের রাশিয়ার আক্রমণ তৃতীয় সপ্তাহে পড়ল। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এখন কী অবস্থান নেন, সেদিকে তাকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক মহল। তিনি ইউক্রেন অভিযানের জন্য অস্ত্র সরবরাহ করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠতর করতে পারেন। অথবা ইউক্রেন আক্রমণের বিরোধিতা করে আমেরিকার দিকে বাড়িয়ে দিতে পারেন মিত্রতার হাত। এর আগে ছ’য়ের দশকে রাশিয়ার সঙ্গে চিনের সম্পর্কের অবনতি হয়। এরপরে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে চিন। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ১৯৭২ সালে চিন সফরে যান। জিনপিং যদি রাশিয়ার বিরোধিতা করেন, তাহলে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে।
আরও পড়ুন : China Covid : চিনের 'জিরো কোভিড' নীতি ব্যর্থ, আরও কয়েকটি শহরে লকডাউন