Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

পুত্র বদলে কন্যা, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সদ্যোজাত সন্তান বদলের অভিযোগ

বৃহস্পতিবার রাতে যখন সদ্যোজাতকে শনাক্ত করতে নিয়ে আসা হয়, তখন পুত্র সন্তান দেখানো হয়েছিল। কাগজে সইও করেন তাঁরা। অথচ হঠাৎ ছেলেটা কী করে মেয়ে হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন তোলেন।

পুত্র বদলে কন্যা, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সদ্যোজাত সন্তান বদলের অভিযোগ

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বিক্ষোভ

শেষ আপডেট: 26 October 2024 13:12

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্যোজাত বদলের অভিযোগ উঠল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। শুক্রবার এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ গোটা ব্যাপারটা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সন্ধেবেলা শিলিগুড়ি মহকুমার পরিষদের ফাঁসিদেওয়ার বাসিন্দা বৃষ্টি দাসকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পরিবারের তরফে বলা হচ্ছে, প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করা হলে তিনি রাতেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। প্রসূতির শারীরিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাতে তাঁকে হাসপাতালেই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। 

শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা বাড়ি গিয়েছিলেন। অভিযোগ উঠছে তখনই হাসপাতাল থেকে ফোন করে খবর দেওয়া হয়, বৃষ্টি এক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এ কথা শুনে আবার হাসপাতালে ছোটেন তাঁরা। নার্সদের সঙ্গে তর্কাতর্কিও হয়। 

পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে যখন সদ্যোজাতকে শনাক্ত করতে নিয়ে আসা হয়, তখন পুত্র সন্তান দেখানো হয়েছিল। কাগজে সইও করেন তাঁরা। অথচ হঠাৎ ছেলেটা কী করে মেয়ে হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন তোলেন। প্রায় দশ ঘণ্টা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা চলার পর বিকেলে তাঁদের হাতে পুত্র সন্তানই তুলে দেওয়া হয়। 

এহেন ঘটনায় উত্তরবঙ্গ ম্যাডিক্যালের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সদ্যোজাত পুত্র সন্তান কী করে কন্যা সন্তানে বদলে গেল সেই নিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন পরিবার। ঘটনা নিয়ে হাসপাতালের সহকারী সুপার নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'মৌখিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে কেন আর কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'  


```