
শেষ আপডেট: 12 August 2023 10:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিমতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Hospital) ডাক্তারি পড়ুয়া শুভ্রজ্যোতি দাসকে। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু বাঁচানো যায়নি। কীভাবে মৃত্যু হল বছর ২৩-এর এই যুবকের, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, শুভ্রজ্যোতির পেটে ওষুধের অতিরিক্ত ডোজ মিলেছে!
পরিবার সূত্রে খবর, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন শুভ্রজিৎ। কিন্তু কেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যক্তিগত নাকি কর্মক্ষেত্রে কোনও অশান্তি শুভ্রজ্যোতিকে মৃত্যুর (RG Kar Intern Dead) খাদের কিনারায় নিয়ে গেল, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। জানা গেছে, শুভ্রজ্যোতির জীবন খুব একটা সহজ ছিল না।
তারপর থেকেই নিমতার একটা বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। কাকা-কাকিমারা আসা যাওয়া করতেন, খোঁজ খবর নিতেন। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শেষবার শুভ্রজ্যোতির সঙ্গে দেখা হয়েছিল তাঁর কাকার। তখন দেখেও তিনি বুঝতে পারেননি শুভ্রজ্যোতির মনের অবস্থা উতাল পাতাল।
আরও পড়ুন: মাঝরাতে হস্টেলে 'কাউন্সেলিং'! সৌরভদের চোখের সামনেই নীচে পড়ে গেলেন স্বপ্নদীপ
বুধবার সারাদিন শুভ্রজ্যোতির সঙ্গে কোনও কথা হয়নি বাড়ির লোকের। এমন ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। কাকারা ভেবেছিলেন, হয়তো কাজের চাপে ডুবে রয়েছে শুভ্রজ্যোতি। শুধু তাই নয়, পড়াশোনা, বই ছিল তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। তাই সচার আচার কেউ শুভ্রজ্যোতিকে বিরক্ত করত না।
বুধবার সারাদিন শুভ্রজ্যোতির খোঁজ না পাওয়ায়, বৃহস্পতিবার সকালে নিমতার ভাড়া বাড়িতে ছুটে যান তাঁর কাকা। দরজায় কয়েকবার ধাক্কা দিয়েও কোনও সাড়া পাননি। দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছেন শুভ্রজ্যোতি। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়েও যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় শুভ্রজ্যোতির। শেষ হয়ে যায় সব স্বপ্ন।