
শেষ আপডেট: 13 July 2023 09:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওড়া সাঁকরাইলের ১৫টি বুথে ভোটের দিন ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছিল। পরে ভোট গণনার পরে (15 booth Howrah) শাসক দল তৃণমূল জয়ী হয় বলে দাবি করা হয়। যদিও কমিশনের দাবি, তাদের তরফ থেকে ওই ১৫টি বুথের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। এছাড়া সিঙ্গুরে, উত্তর ২৪ পরগনার হাবরার বেশ কিছু বুথে ব্যালট ছিনতাই হয়েছিল। এবার বিডিও-র রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই সব বুথে উপনির্বাচনের নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরও কিছু বুথেও উপনির্বাচন (bye election) হতে পারে। তা যদি হয়, তবে কমিশন (State Election Commission) এভাবেই পরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।
তবে এই উপনির্বাচন কবে হবে তা অনিশ্চিত। কারণ সচরাচর পঞ্চায়েতে উপনির্বাচন চট করে হয় না। দেখা যায়, উপনির্বাচন হতে হতে আবার পাঁচ বছর পরের পঞ্চায়েত নির্বাচন চলে আসে। ২০১৮-তে এমন উদাহরণ রয়েছে। গোটা ৫ বছরে উপনির্বাচন হয়নি। শেষে ২০২৩-এ পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়ে গেল। সেক্ষেত্রে এবারও তেমন হতে পারে বলে অনেকের ধারণা।
প্রসঙ্গত, শনিবার পঞ্চায়েত ভোটের দিন মোটের উপর শান্ত ছিল হাওড়া। বড় কোনও অশান্তি বা রক্তপাতের ঘটনা দেখা যায়নি। কিন্তু সাঁকরাইলের একাধিক ভোট কেন্দ্রে সকাল থেকে বিরোধীরা ব্যালট লুঠ হওয়ার অভিযোগ করছিলেন। সেগুলি হল, মানিকপুর দর্জিপাড়া প্রাথমিক স্কুলের সাতটি বুথ, রশ্মি মহল শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের একটি বুথ, সারেঙ্গা হাইস্কুল ও পল্লিশ্রী পাঠাগারের কয়েকটি বুথ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সাঁকরাইলের এই ১৫টি বুথে উপনির্বাচনই (bye election) হবে।

এছাড়া সিঙ্গুরের একটি বুথে উপনির্বাচন হবে। ১৩ নম্বর নেতাজি জয়ন্তী পাঠাগারে ওই বুথ ছিল। গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম বেরাবেরি। উপনির্বাচন হবে উত্তর ২৪ পরগনার হাবরাতেও। হাবরার পুমলিয়া স্কুলে দুটি বুথে ভোট হবে। গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম হল ভুরখুন্ডা। ওই ভুরখুন্ডারই এমাডালিয়া মাদ্রাসায় যে বুথ ছিল, সেখানে ব্যালট লুঠের অভিযোগ উঠেছিল। নির্বাচন কমিশন ঠিক করেছে, এই বুথেও উপনির্বাচন হবে। হাবরার গুমা গ্রাম পঞ্চায়েতের দোগাছিয়া নিম্ন বুনিয়াদি স্কুলের একটি বুথেও ভোট লুঠের অভিযোগ ছিল। সেখানেও উপনির্বাচন হবে।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, কলকাতা হাইকোর্টে বুথ ধরে ধরে বিরোধীদের যে অভিযোগ জমা পড়েছে, তার ভিত্তিতে নড়ে বসেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কারণ, হাইকোর্ট শুধু কমিশনকে দায়ী করছে না, বিডিও এবং ভোটকর্মীদের কাছেও কৈফিয়ত তলব করছে। তাই স্বচ্ছতা প্রমাণের জন্য কমিশনের এই অবস্থান নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।
বৃহস্পতিবার সকাল সকাল বিধানসভা পৌঁছে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'ঠ্যালায় না পড়লে বেড়াল গাছে ওঠে না।' তাঁর কথায়, 'আমরা আদালতে আবেদন জানিয়েছি। আইনজীবীরা সওয়াল করবেন। এর শেষ দেখে ছাড়তে চাই।'
রাজভবনে চক্রান্তের আসর বসেছে, রবিশঙ্কর, বিএসএফ কর্তা ঢুকতেই, অভিযোগ তৃণমূলের