
শেষ আপডেট: 18 May 2022 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি (Recruitment Fraud) দেওয়ার নাম করে ৮৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূলের (TMC) উপপ্রধান। অভিযোগ, নিজের জামাইকে রেয়াত করেননি তিনি। মঙ্গলকোটের নওয়াপাড়ার ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর অভিযুক্ত উপপ্রধানের নাম হেকমত আলি। সে ঝিলু ২ নম্বর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। মঙ্গলবার রাতে হেকমতকে গ্রেফতার করে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে মহম্মদ বোদরুদ্দজা নামে এক ব্যক্তি হেকমতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে।
তাঁর অভিযোগ ছিল, প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে উপপ্রধান হেকমত ২০১৯ সালে জুলাই মাস থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বীরভূমের কীর্ণাহারে মোট ১১ জনের কাছ থেকে ৮২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাত করে। এমনকি ছাড়েনি নিজের জামাইকেও। এদের মধ্যে পাঁচজন চাকরি প্রার্থীকে হেকমত আলি ভুয়ো নিয়োগপত্র দিয়েছিল।
মঙ্গলকোটের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী জানান, অভিযোগকারী তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পুলিশে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
যদিও হেকমতের বিরুদ্ধে এমন প্রতারণা অভিযোগ মানতে নারাজ তাঁর মেয়ে জিন্নাতুন নিশা। জিন্নাতুনের দাবি, তাঁর বাবার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
পার্থ ফের ডিভিশন বেঞ্চে, সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ শিল্পমন্ত্রীর
হেকমত আলির স্ত্রীও দাবি করেছেন, বোদরুদ্দজার ছেলের সঙ্গে তাঁদের মেয়ের বিয়ে হয়েছে। জামাই কোনও কাজ করত না। তাই বিভিন্ন সময় তাকে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। এখন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাঁর স্বামীকে।
কিন্তু এই ঘটনাকে নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীদল বিজেপি। বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, তদন্ত করলে আরও অনেক তৃণমূলের নেতার নাম উঠে আসবে।