
শেষ আপডেট: 11 April 2024 22:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিটিএ-তে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে মঙ্গলবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার ওই একই মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৮জনের নামে এফআইআর করল রাজ্য পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, এফআইআরে পার্থ ছাড়াও নাম রয়েছে টিএমসিপির রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এবং রাজ্য সহ সভাপতি প্রান্তিক চক্রবর্তী, পাহাড়ের কংগ্রেস নেতা বিনয় তামাং, হাবড়া পুরসভার তৃৃণমূল কাউন্সিলর বুবাই বোসের। এছাড়াও এফআইআরে নাম রয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরের ডিআই প্রাণগোবিন্দ সরকার এবং দেবলীনা দাসের।
প্রত্যেকের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে জিটিএ এলাকায় শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়। অভিযোগ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা ছাড়াই জিটিএ-র অধীনে প্রাথমিক, আপার প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয়ে দেড় হাজার জনের বেশি শিক্ষককে নিয়োগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা গড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।
কিন্তু সিআইডি তদন্তে বিশেষ অগ্রগতি না হওয়ায় গত মঙ্গলবারই ওই মামলায় সিবিআই তদন্তের দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ১৫ দিনের মধ্যে সিবিআই-কে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন বিচারপতি। একই সঙ্গে পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল আদালত।
আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরই আচমকা রাজ্য পুলিশ কেন তৎপর হয়ে উঠল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও পুলিশ সূত্রে খবর, এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর ভুপাল চন্দ্র হালদারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৮ জনের নামে এফআইআর রুজু করেছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের গোঠা হাইস্কুলে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে মামলা গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই সূত্রেই আদালতের কাছে এসে পৌঁছয় কিছু বেনামী চিঠি। চিঠির সূত্র ধরে সামনে আসে জিটিএর অন্তর্গত স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ।