দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছর শেষের মিষ্টি মুখ! দোকান থেকে কিনে এনে টুপ করে খাওয়া নয়, রীতিমতো উৎসব করে এ মিষ্টিমুখ উদযাপন করবে শহর কলকাতা। রাজ্যের শিশু ও নারী সুরক্ষা মন্ত্রী শশী পাঁজা জানিয়েছেন, ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে রাজ্য সরকারের 'বাগবাজার-ও-রসগোল্লা' উৎসব। তিন দিনের এই উৎসবে রসগোল্লার আবিষ্কর্তা নবীনচন্দ্র দাসকে শ্রদ্ধা জানাবে শহরবাসী।
গত বছরেই এই মিষ্টির সুবাদেই জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন (জিআই) ট্যাগ পেয়েছে বাংলা। তার উপর এই বছর রসগোল্লা আবিষ্কারের ১৫০ বছর পেরোল। শশী পাঁজা, রসগোল্লা উৎসবের কনভেনর এ দিন বলেন, "শুধু এই রসালো, গোল, সুস্বাদু খাবারটা দিয়েই বাংলা প্রায় বিশ্ব জয় করে ফেলেছে।"
তবে শুধু মিষ্টিমুখ নয়। এই উৎসবে আলোচিত হবে রসগোল্লার ইতিহাস, রসগোল্লার উৎসভূমি বাগবাজারের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। গায়ক হরিহরণ এই উৎসবের সূচনা করবেন। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা তাঁর গানও শুনতে পারবেন।
উৎসব কমিটির মুখ্য উপদেষ্টা শুভাপ্রসন্ন এবং সদস্য, নবীন দাসের উত্তরসূরি ধীমান দাস একটি রান্নার প্রতিযোগিতার এবং ক্যুইজ় কনটেস্টেরও আয়োজন করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সারা রাজ্যের মিষ্টিবিক্রেতারা যোগ দেবেন তাঁদের পসরা নিয়ে। প্রত্যেকেই নিজেদের বিশেষত্ব মেলে ধরবেন সেখানে। শশী পাঁজা বলেন, "আমি অত্যন্ত গর্বিত যে রসগোল্লার জন্মদাতা এই শহরের বাগবাজার।"
১৮৬৪ সালে উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোয় একটি মিষ্টির দোকান খুলেছিলেন নবীন দাস। কিন্তু ১৯৬৬ সালে তিনি বাগবাজারে সেই দোকান নতুন করে খোলার পরেই সাফল্য আসে তাঁর ব্যবসায়। তার দু'বছর বরেই, ১৮৬৮ সালে তিনি রসগোল্লা আবিষ্কার করেন। বদলে যায় মিষ্টির ইতিহাস।