
শেষ আপডেট: 9 April 2023 05:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত শনিবার শক্তিগড়ে (Shaktigarh) গাড়ির ভিতরে থাকা অবস্থায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয়েছিলেন কয়লা মাফিয়া (coal mafia) রাজু ঝা (Raju Jha)। সেই ঘটনার পর এক সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও আততায়ীদের খোঁজ পায়নি পুলিশ। ঘটনার দিন গুলিতে আহত হয়েছিলেন রাজুর সঙ্গী ব্রতীন মুখোপাধ্যায়ও। তাঁকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তাতেই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গেছে, ব্রতীন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কলকাতায় বাইপাসের ধারে 'সিলভার স্প্রিং' আবাসনে ফ্ল্যাট ছিল রাজুর। খুন হওয়ার দিন শক্তিগড় থেকে সেখানেই আসছিলেন রাজু। ফ্ল্যাটে সেদিন রাজুর সঙ্গে থাকার কথা ছিল আব্দুল লতিফেরও। পরের দিন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগেই পেশাদার খুনিদের গুলিতে খুন হতে হল রাজুকে।
যদিও কোন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে রাজুর দেখা করার কথা ছিল, তা সঠিকভাবে বলতে পারেননি ব্রতীন। দেখা করার কথা থাকলেও সেই সংক্রান্ত কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, গত ২৯ মার্চ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে ডেকে পাঠানো হয়েছিল গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফকে। কিন্তু সেদিন অসুস্থতার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন লতিফ। আগামী সপ্তাহে ফের তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে দেখা করার জন্য লতিফকে সঙ্গে নিয়েই রাজুর দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা এবং ইডির লতিফকে ডেকে পাঠানো-দুটি ঘটনা কি নিছকই কাকতালীয়? নাকি এগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে? দিল্লি যাওয়ার আগেই কেন পূর্বপরিকল্পিতভাবে খুন করা হল রাজুকে? ঘটনার সময় রাজুর সঙ্গে গাড়িতে থাকার পরেও কেনই বা রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেলেন আব্দুল লতিফ? এই সমস্ত প্রশ্নই এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।
রাজু খুনের নীল ব্যালেনোর রহস্যভেদ, চুরির গাড়িতে এসেছিল সুপারি কিলাররা