
শেষ আপডেট: 31 August 2023 08:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: রানাঘাটে সোনার দোকানে ডাকাতির তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য এল পুলিশের হাতে। পুলিশের দাবি, ধৃত ডাকাত কুন্দনকুমার যাদবই শক্তিগড়ে গুলি করে খুন করেছিল কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝাকে (Raju Jha Murder Case)। সিসিটিভির ফুটেজই চিহ্নিত করে তাকে।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ রানাঘাটের সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস এর শোরুমে হানা দেয় আটজনের একটি ডাকাতদল। দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢুকে কর্মীদের বেঁধে রেখে লুটপাঠ চালায়। দোকানে উপরতলায় বসেই সিসিটিভিতে নজরদারি চালাচ্ছিলেন একজন নিরাপত্তা কর্মী। বিষয়টি বুঝতে পেরেই রানাঘাট থানার পুলিশকে ফোন করেন তিনি।
খবর পেয়েই বিকেল তিনটে নাগাদ পুলিশ এসে পৌঁছতেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ডাকাত দল। পুলিশ তাদেরকে ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে তারা। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে দুই ডাকাত আহত হয়। তাদের পায়ে গুলি লাগে। আট ডাকাতের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই পাঁচজন হল কুন্দনকুমার যাদব, রাজু কুমার পাসোয়ান, রিক্কি পাসোয়ান, মনিকান্ত কুমার যাদব ও ছোটুকুমার পাসোয়ান। এদের মধ্যে মনিকান্ত ও ছোটু গুলিতে জখম হয়েছে। বুধবার আদালতে তোলা হলে তাদের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশের জেরাতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায় কুন্দন আদতে শার্প শ্যুটার। শক্তিগড়ে সেই জানলা দিয়ে কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের পরেই সে বিহারে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, রানাঘাটের ডাকাতির ঘটনাতেও এই কুন্দনকুমার ছিল মূল মাথা। রানাঘাটের সোনার দোকানে লুঠ আগে কল্যাণীতে দীর্ঘ দেড়মাস ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিল সে। সেখানে বসেই সে রেইকি করে। পূর্ব বর্ধমান পুলিশ সূত্রে খবর কুন্দনকুমারকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানাবে জেলা পুলিশ।
আরও পড়ুন: জোহানেসবার্গে দাউদাউ করে জ্বলছে পাঁচ তলা বিল্ডিং, ঝলসে মৃত ৬৩ জন, আহত বহু