
শেষ আপডেট: 2 April 2023 11:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার রাতে জাতীয় সড়কের ধারে শ্যুটআউটে রাজু ঝা (Raju Jha) নামে এক কয়লা ব্যবসায়ীর খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। কয়লা ব্যবসায়ী রাজুর সঙ্গে বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। তিনি টুইট করে লেখেন, 'রাজুকে বিজেপিতে যোগ করিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।' যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানে খুন হন রাজু। সেই রাজুর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে শনিবারই টুইট করেছিলেন বাবুল। সেখানে ছিল দিলীপ ও কৈলাশের নাম। বাবুলের অভিযোগ ছিল যে, রাজুকে চিনতে অস্বীকার করবে বিজেপি নেতৃত্ব।
শুধু শনিবার হয়, এই ঘটনা নিয়ে রবিবারও টুইট করেন রাজ্যের মন্ত্রী। রবিবারের টুইটে আরও ঝাঁঝ বাড়ান তিনি। তাঁর অভিযোগ, 'যে সব কয়লা মাফিয়ারা বিজেপিতে যোগদান করেছিল, CBI-ED কেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছেনা?' তিনি আরও বলেন যে, 'দেশের সব বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই তদন্ত করছে। আর আসানসোলের মাফিয়াদের নাম তো আমিই বলেছিলাম।' তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ক্ষেত্রে নীরব কেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
রাজু ইস্যুতে বিজেপি নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলে রবিবার একাধিক টুইট করেছেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী। একটি টুইটে বাবুল দাবি করেন, লক্ষ্মণ নামে বিজেপির এক বিধায়ক আসানসোলে সভাপতি হবেন বলে তাঁর বাড়িতে বসে থাকতেন। এই লক্ষ্মণই, বিজেপি ও দিলীপ ঘোষের সঙ্গে রাজুর বিষয়ে মধ্যস্থতা করতেন।
বিজেপিতে যখন রাজু যোগ দেয় তখন সেই মঞ্চে ছিলেন আর এক নেতা অর্জুন সিং (Arjun Singh)। বর্তমানে তিনি এখন তৃণমূলে রয়েছেন। রবিবার রাজুর মৃত্যু নিয়ে বলতে গিয়ে অর্জুন বলেন যে, রাজুর বিরুদ্ধে অতীতে বদনাম থাকলেও এখন তিনি ভাল ব্যবসা করত। তাঁর মৃত্যু খুবই দুর্ভাগ্যজনক। অর্জুন আরও বলেন, 'পুলিশের ওপর আস্থা রয়েছে। অতি শিগগির দুষ্কৃতীরা ধরা পড়বে।'
হাওড়ার অশান্তির জায়গায় ঢুকতে পারলেন না সুকান্ত, মিছিল বন্ধ বামেদের, কী বললেন রাজ্যপাল