Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

রাজ্যপালের থেকে আমার কাছে কিছু আসেনি, সাফ জানালেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার রাতে রাজভবন সূত্রে জানা যায় যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি তা ফিরিয়ে দেন। বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে বেশ নির্লিপ্ত জবাব দিলেন রাজীব সিনহা। এদিন কমিশনে

রাজ্যপালের থেকে আমার কাছে কিছু আসেনি, সাফ জানালেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার

শেষ আপডেট: 22 June 2023 06:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার রাতে রাজভবন সূত্রে জানা যায় যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি তা ফিরিয়ে দেন। বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে বেশ নির্লিপ্ত জবাব দিলেন রাজীব সিনহা।

এদিন কমিশনের দফতরে প্রবেশ করার সময়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রশ্ন করা হয়, রাজভবন আপনার জয়েনিং রিপোর্ট নেয়নি বলে জানা গিয়েছে। এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? জবাবে রাজীব সিনহা বলেন, ‘আমার কাছে কিছু আসেনি’।

রাজভবনের পদক্ষেপের কথা চাউর হতে বুধবার রাত থেকে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে হইচই পড়ে যায়। বাংলায় এ ধরনের সংকট আগে কখনও হয়নি। প্রশ্ন উঠে যায়, তা হলে কি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে রাজীব সিনহাকে সরে যেতে হবে। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের অধিকাংশের মতে, মোটেও তা নয়। জাতীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কমিশনাররা সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতির মর্যাদা পান। তাঁদের এভাবে সরানো যায় না। আইনসভায় দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের মত নিয়ে সরাতে হয়।

প্রশ্ন উঠতে পারে প্রাক্তন আমলা সিভি আনন্দ বোস কি সেটা জানেন না?
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, রাজ্যপাল নিশ্চয়ই তা জানেন। তিনি না জানলে তাঁর সচিবালয়ের অফিসাররা নিশ্চয়ই জানেন এই শর্তের কথা। হতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের উপর চাপ তৈরি করতে রাজ্যপাল এই পদক্ষেপ করেছেন। কারণ, বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম রায় ঘোষণা করতে গিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রকারান্তরে প্রশ্ন তুলেছেন। সেই সঙ্গে তাঁর পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি রাজীব সিনহার উদ্দেশে বলেছেন, আপনি চাপ নিতে না পারলে ছেড়ে দিন। তার পর রাজভবনও হয়তো চাপ তৈরির কৌশল নিয়েছে।

রাজভবনের এই ভূমিকায় বিজেপি শিবির আহ্লাদিত। তবে শাসক দল তৃণমূল মনে করছেন, রাজ্যপাল পুরোদস্তুর বিজেপির অ্যাজেন্ডা নিয়ে নেমেছেন। তৃণমূল সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হাওয়া দিচ্ছেন আনন্দ বোস। রাজনৈতিক প্রভুকে খুশি করার লক্ষ্যেই তাঁর এই পদক্ষেপ।

নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে যাবে? আগেভাগে ক্যাভিয়েট করে রাখলেন শুভেন্দু


```