
শেষ আপডেট: 11 December 2023 14:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: পরিষেবা পৌঁছতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গেলেন বিডিও। দীর্ঘ অপেক্ষার পর হাতে হাতে কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে উচ্ছ্বসিত আবেদনকারীরা।
জানা গেছে, জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকে ২০১৬-১৭ সাল থেকে কাস্ট সার্টিফিকেট পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন আবেদনকারীরা। অভিযোগ, বিডিও অফিসের পাশাপাশি দুয়ারে সরকারেও আবেদন করে জাতিগত শংসাপত্র পাচ্ছিলেন না প্রায় হাজার দশেক আবেদনকারী। এবার সেই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হলেন খোদ বিডিও। প্রথম পর্যায়ে পাঁচ হাজার আবেদনকারীর হাতে তুলে দেওয়া হল তাদের শংসাপত্র।
রাজগঞ্জ ব্লকের বিডিও হিসেবে কাজে যোগ দিয়েই প্রশান্ত বর্মন দেখতে পান কাস্ট সার্টিফিকেটের আবেদনপত্র জমে পাহাড় হয়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি উদ্যোগী হয়ে যোগাযোগ করেন মহকুমাশাসকের সঙ্গে। জলপাইগুড়ি সদর মহকুমাশাসক তমজিৎ চক্রবর্তী বিষয়টি জানার পরেই যোগাযোগ করেন জেলাশাসকের সঙ্গে। তারপরেই দ্রুত শংসাপত্র প্রদানের নির্দেশ দেন জেলাশাসক শামা পারভিন। সেই নির্দেশ পাওয়ার পরেই বাড়ি বাড়ি কাস্ট সার্টিফিকেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেন বিডিও। রাজগঞ্জের পানিকৌড়ি, সুখানি, মাঝিয়ালি সহ বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আবেদনকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাতে হাতে শংসাপত্র তুলে দেন।
ফাটাপুকুর এলাকার বাসিন্দা মণি দাস বলেন, “কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বারবার বিডিও অফিসে গিয়ে ঘুরে আসছিলাম। হয়রানির শিকার হচ্ছিলাম। এবার বিডিও সাহেব বাড়িতে এসে সার্টিফিকেট দিয়ে গেলেন। এটা ভাবতেই পারিনি।”
বিডিও প্রশান্ত বর্মন বলেন, “আমি কাজে যোগ দিয়ে দেখতে পাই রাজগঞ্জ ব্লক অফিসে প্রায় হাজার দশেক কাস্ট সার্টিফিকেটের আবেদনপত্র জমা ছিল। এরপর বিষয়টি আমি এসডিও সাহেবের নজরে আনি। এরপর জেলাশাসকের বিশেষ উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে সার্টিফিকেট দেওয়া হল। বাকিদেরও দিয়ে দেওয়া হবে। এই সার্টিফিকেটগুলি একদিকে আমি যেমন তাঁদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছি, পাশাপাশি তাঁরা ইচ্ছে করলে বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকেও এই সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।”