
শেষ আপডেট: 12 August 2023 04:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাতায়-কলমে আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষাকাল। যদিও গত কয়েক বছরে জলবায়ুর ভোলবদলে প্রায় সারা বছর ধরেই টুকটাক বৃষ্টি চলে, কখনও আবার ঘরে বর্ষাতেও বৃষ্টির দেখা পাওয়া যায় না। এই বছর জুন-জুলাইতেও দক্ষিণবঙ্গের মানুষ বৃষ্টি পাননি সেভাবে। বরং আর্দ্রতার জেরে ঘেমে-নেয়ে নাকাল হয়েছেন। তবে শ্রাবণের শেষে ঘূর্ণাবত ঘনিয়েছে, যার জেরে আপাতত কয়েকদিন বাংলা জুড়ে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস (rain prediction)।
আলিপুর সুত্রে খবর, গোরখপুর-দ্বারভাঙা থেকে বালুরঘাট হয়ে মণিপুর পর্যন্ত মৌসুমী অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের উপর। বিহারের ঘূর্ণাবর্ত থেকে একটি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর পশ্চিম বঙ্গপোসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার জেরে আপাতত বৃষ্টি চলবে বাংলায় (West Bengal monsoon)।
সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে আগামী ৪৮ ঘণ্টায়। শনিবার অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায়। রবিবার এই দুই জেলা সহ কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতেও ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে মালদহ এবং দুই দিনাজপুরেও (weather update)।
বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকবে পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলায়। শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে দু এক পশলা ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। রবিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। এদিন দুই ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও বীরভূমে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
কলকাতাতেও বৃষ্টি বাড়বে আগামী ৪৮ ঘণ্টায়। যদিও টানা ভারী বৃষ্টি নয়, বরং বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।
শুক্রবার দুপুরে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.২° সেলসিয়াস। শনিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৩ থেকে ৯৭ শতাংশ।
স্বপ্নদীপ ‘আশাকর্মী’ মায়ের জন্য ছাতা কিনেছিলেন! ছেলের ঘাতকরা নরপিশাচ, অঝোরে কাঁদছেন বাবা