
শেষ আপডেট: 9 January 2024 21:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দার্জিলিং: এক মাসে তিনবার, আবার কখনও চার দিনে দু'বার বেলাইন। বিগত কয়েক মাস যাবৎ বারবার লাইনচ্যুত হয়েছে দার্জিলিঙের টয়ট্রেন। কিন্তু কেনই বা বার বার এই ঘটনা ঘটছে? তা এবার সরিজমিনে খতিয়ে দেখলেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
দার্জিলিং মানেই পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ টয়ট্রেন। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ঘন ঘন টয়ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কে ভুগছেন পর্যটকেরা। একইসঙ্গে প্রশ্নের মুখে পড়ছে রেলের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাও। তাই এবার হেরিটেজ তকমা বাঁচাতে মঙ্গলবার সকাল থেকে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের প্রতিটি খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখতে ময়দানে নামেন রেলের আধিকারিকরা।
এদিন দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সেকশন পরিদর্শন করেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার। মঙ্গলবার সুকনা স্টেশন থেকে ঘুম পর্যন্ত লাইন পরিদর্শন করতে করতেই দার্জিলিং পর্যন্ত যান তিনি। সেকশন পরিদর্শনের পরই ডিএইচআর কর্তাদের কাছে রিপোর্ট তলব করেন ডিআরএম। কেন বারবার লাইনচ্যুত হচ্ছে ট্রেন, ইঞ্জিনের কী পরিস্থিতি সবটাই জানতে চেয়েছেন তিনি।
জানা গিয়েছিলেন, কার্শিয়াং, ঘুমের মতো বড় স্টেশনগুলিতে গিয়েছিলেন রেলের কর্তারা। লাইনের পরিস্থিতি কী রয়েছে, কোথায় লাইন বদলাতে হবে, সেইসব বিষয়ে আগামী সাতদিনের মধ্যে ডিএইচআর আধিকারিকদের ওই রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রী সুরক্ষায় আরও বেশি জোর দিতে হবে। জয় রাইডের জন্য বের করার আগে ট্রেনগুলিকে ভালো করে পরীক্ষা করেই ট্র্যাকে নামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
জানুয়ারি মাসের সবে নয়দিন। এরই মধ্যে একাধিকবার লাইনচ্যুত হয়েছে টয়ট্রেন। মাঝে তিনদিন দু'বার ঘুম রেল স্টেশনের কাছে একই জায়গায় লাইনচ্যুত হয়। এছাড়া কখনও টয়ট্রেনের যান্ত্রিক গোলযোগ, আবার কখনও ত্রুটির ঘটনা উঠে এসেছে। ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের নামিয়ে সড়কপথে গন্তব্যে পাঠানো হয়। ফলে পর্যটকদের যেমন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তেমনই টয়ট্রেনের হেরিটেজ তকমা ধরে রাখাও চ্যালেঞ্জের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয়েছে রেল।