
শেষ আপডেট: 1 March 2023 12:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দোলের আগের দিন রাধাকৃষ্ণের (RadhaKrishna) বিয়ে। হুগলির ঐতিহ্যবাহী খন্যান রাজবাড়িতে (palace) সে নিয়েই উৎসব চলে। ধুমধাম করে রাধাকৃষ্ণের বিয়ে দিয়ে তাঁদের বিগ্রহ পাল্কী করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। পুকুর পাড়ে ন্যাড়া পোড়া দেখতে জড়ো হন দূরদূরান্তের মানুষ। আকাশ জুড়ে নকশা তোলে আতশবাজির খেলা।
রাজবাড়ির ইষ্ট দেবতাকে এরপর ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় রাজবাড়ির মন্দিরে। দোলের আগের রাতের প্রাচীন এই রীতিতে আজও ছেদ পরেনি। দোলের দিন সকাল থেকে শুরু হয় নাচগান, আবির খেলা। বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও রাজবাড়ির বংশধরেরা এদিন উৎসবে যোগ দিতে আসেন ঘরে ফিরে আসেন। সারা বছর রাজবাড়ির দরজা বন্ধ থাকলেও দোলের সময় দুদিন সাধারন মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
জানা যায়, পাণ্ডুয়ার খন্যানে জমিদারির পত্তন করেছিলেন রাজনারায়ন কুণ্ডু। তিনিই এই জমিদার বাড়িটি তৈরি করেন। পরবর্তী কালে যা খন্যান রাজবাড়ি নামে পরিচিত হয়। জমিদারি চলে গেলেও রাজবাড়িটি অক্ষত আছে।সেই বাড়িতে থাকেন কুণ্ডুদের বর্তমান বংশধর ধ্রুব কুণ্ডু। বাকি অনেকেই দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে রয়েছেন। তবে বছর বছর দোলের আগে নাড়ির টান বেজে ওঠে তাঁদের হৃদয়ে। যে যেখানেই থাকুন, ফেরেন রাজবাড়িতে। স্থানীয়রাও যোগ দেন।রাজবাড়ির দোলকে কেন্দ্র করে এলাকায় মেলা বসে। মেতে ওঠেন পান্ডুয়ার মানুষ।