
শেষ আপডেট: 4 September 2022 12:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ: বিলকিস বানোর (Bilkis Bano) ধর্ষকদের মুক্তি দিয়েছে গুজরাত সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে গোটা দেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে। নানা জায়গায় প্রতিবাদী মিছিল মিটিং করা হচ্ছে। বাদ যায়নি বাংলাও। শনিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের (Baharampur) মোহন মোড়ে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।
রোকেয়া নারী উন্নয়ন সমিতির তরফ থেকে এই প্রতিবাদী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন সমিতির কার্যকরী সভাপতি অধ্যাপিকা স্মৃতিরেখা রায়চৌধুরী, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা আলপনা রায়চৌধুরী, শিক্ষিকা উত্তরা প্রামাণিক, সোনালী গুপ্ত , মানবাধিকার কর্মী মিলন মালাকার, সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজকর্মী স্নিগ্ধা সেন ও সমিতির সম্পাদিকা খাদিজা বানু।

সকলের বক্তব্যেই উঠে এসেছে ধর্ষকদের ছেড়ে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্তের সমালোচনা। তাঁদের কথায়, সমাজে যেভাবে প্রতিদিন দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নীতিহীন কর্মকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে চলেছে তার বিরুদ্ধে চাই জনশক্তির উত্থান। রোকেয়া নারী উন্নয়ন সমিতি সর্বস্তরের মানুষকে সংগঠিত করে নারীর মর্যাদা রক্ষা ও সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডের পরে গুজরাতজুড়ে ভয়ঙ্কর দাঙ্গা শুরু হয়। সাম্প্রদায়িক হিংসা চরমে ওঠে। সেই সময়েই ২১ বছর বয়সি তরুণী বিলকিস বানো গণধর্ষণের শিকার হন। পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বিলকিস। দাঙ্গার মধ্যে পরিবারের সকলের সঙ্গে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় ২০ থেকে ৩০ জনের দল তাঁদের ওপর চড়াও হয়। বিলকিসের পরিবারের সাত জনকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ধর্ষণ করা হয় বিলকিসকে। কোনওরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যান বিলকিসের পরিবারের ছ’জন।
মাদক মামলায় সিআইডির জালে গাজোলের মাছ ব্যবসায়ী, কোটি টাকা উদ্ধার