Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

বেসরকারি স্কুলগুলি ফি বাড়াতে পারবে না, হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের বেসরকারি স্কুলের অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির খবর। ফি বৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। ফি বৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে অভিভাবকদের তরফে যে মামলা দায়ের হয়েছিল তাতে আদালত মূলত দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছ

বেসরকারি স্কুলগুলি ফি বাড়াতে পারবে না, হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

শেষ আপডেট: 27 October 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের বেসরকারি স্কুলের অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির খবর। ফি বৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। ফি বৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে অভিভাবকদের তরফে যে মামলা দায়ের হয়েছিল তাতে আদালত মূলত দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছিল। এক, এই অর্থবর্ষে ফি বৃদ্ধি করা যাবে না এবং দুই, লকডাউনের জন্য ২০ শতাংশ ফি মুকুব করতে হবে। সংযোজন করে কলকাতা হাইকোর্ট আরও বলেছিল, কোনও অভিভাবক যদি ২০ শতাংশের চেয়েও বেশি ফি মুকুবের আবেদন করেন তাহলে তা খতিয়ে দেখার জন্য কমিটি গড়তে হবে। মূল দুটি জায়গায় হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাত্‍, ফি বাড়ানো তো যাবেই না বরং ২০ শতাংশ ফি মুকুব করতে হবে। তবে হাইকোর্ট যে বলেছিল কোনও অভিভাবক যদি ২০ শতাংশের চেয়েও বেশি ফি মুকুবের আবেদন করেন তাহলে তা খতিয়ে দেখতে হবে, সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সমস্ত বোর্ডের ১৪৫,টি স্কুলকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। চ্যালেঞ্জ করে কয়েকটি স্কুল যায় সুপ্রিম কোর্টে। তবে সেখানেও পরিস্থিতি বিশেষ বদলাল না। শেষ হাসি হাসলেন অভিভাবকরাই। হাইকোর্ট বলেছিল, লকডাউন পর্বে স্কুলে গিয়ে ল্যাব কিংবা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস করেনি পড়ুয়ারা। স্পোর্টসের ক্লাসও হয়নি। ফলে সেসব ফি মুকুব করতে হবে। স্কুলের যুক্তি ছিল, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বেতন তাহলে তারা কী ভাবে দেবে? এই প্রশ্নে আদালত স্পষ্ট বলে, বেতন এবং বর্ধিত বেতন ছাত্রদের ফি বাড়িয়ে তোলা যাবে না। লাভ্যাংশ কমিয়ে তা দিতে হবে। পাঁচ শতাংশের বেশি লাভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। ফি বৃদ্ধি নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড হয়েছিল বিভিন্ন জায়গায়। বারাসত, মধ্যমগ্রাম, বেহালার বিভিন্ন স্কুলের সামনে অবরোধ, বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন অভিভাবকরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও স্কুলগুলির কাছে মানবিক হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে বরফ গলেনি। শেষমেশ আদালতে গড়ায় এই মামলা।

```