
শেষ আপডেট: 23 September 2022 14:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ভাগাড় পেরিয়ে যেতে হয় স্কুলে। কিংবা বলা যায়, ভাগাড়ের (dumping ground) মধ্যিখানেই সেই স্কুল (primary school)। ওই পচা দুর্গন্ধে যেখানে রীতিমতো টেকা দায়, সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে স্কুল, মিড ডে মিল। হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল বিদ্যামন্দির নিম্ন বুনিয়াদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই দুর্দশা দেখে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। এলাকাবাসীরা বলছেন, বৃষ্টি হলেই নোংরা জল রাস্তায় নেমে আসে আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এর মধ্যেই চলে বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন থেকে মিড ডে মিল খাওয়া।
অভিভাবকদের অভিযোগ, ওই গন্ধে বাচ্চারা অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এমনকি বিদ্যালয়ে তারা খেতেও চায় না। এই কারণে স্কুল ছাড়িয়ে বাচ্চাদের অন্য কোনও স্কুলে নিয়ে চলে যাবেন বলেও ঠিক করেছেন কয়েকজন। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের আবর্জনার মধ্যেই স্কুল চলা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়। এমনকি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যেও।
প্রধান শিক্ষিকা সীমা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, 'এই স্কুলে প্রায় সাড়ে তিনশ'জন বাচ্চা পড়ে। শিক্ষক-শিক্ষিকা মোট বারো জন। শ্রেণিকক্ষেরও অভাব রয়েছে স্কুলে। সামনে জলা জমি রয়েছে, সেখানে সবসময় আগাছা হয়ে থাকে। রয়েছে সাপখোপের ভয়ও। এমনকি স্কুলের কোনও সীমানা না থাকায় বেশ কয়েকবার চুরির ঘটনাও ঘটেছে। তার উপর এই জঞ্জালের দুর্গন্ধ। এইরকম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিদ্যালয় চালানো যায় না। আমরা প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে নালিশ জানিয়েছি।'
ঘটনার অভিযোগ পেতেই সুরাহার আশ্বাস দিয়েছেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, 'রেলের জমিতে থাকা এই স্কুল খুবই নিচু জায়গায় অবস্থিত।একটা সময় জলে ডুবে থাকত। সরকারি খরচে নতুন ঘর তৈরি করে সেখানে স্কুল চালানো হচ্ছে। তবে এইরকম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে স্কুল চলছে সেটা আমি জানতাম না। শনিবার স্কুলে গিয়ে জায়গাটা পরিদর্শন করব। তারপর যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেব।'
মায়ের বদলে শিশুকে ইঞ্জেকশন নার্সের! আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে তুলকালাম