প্রাথমিকে ভুল প্রশ্ন: আদালতের গুঁতোয় চূড়ান্ত উত্তরপত্র আপলোড করল পর্ষদ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন তিনেক আগেই এজলাসে দাঁড় করিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগের বিষয়টিও দ্রুত কার্যকর করতে বলেছিল আদালত। তারপরই দেখা গেল বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত উত্তরপত্র ওয়েবসাই
শেষ আপডেট: 16 September 2021 11:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন তিনেক আগেই এজলাসে দাঁড় করিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগের বিষয়টিও দ্রুত কার্যকর করতে বলেছিল আদালত। তারপরই দেখা গেল বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত উত্তরপত্র ওয়েবসাইটে আপলোড করল পর্ষদ।
গত ৩১ জানুয়ারি প্রাথমিকের টেটের পরীক্ষা নিয়েছিল শিক্ষা পর্ষদ। সম্প্রতি উত্তর পত্র প্রকাশ করে পরীক্ষার্থীদের মতামত নেয় পর্ষদ। তারপরই চূড়ান্ত উত্তরপত্র প্রকাশিত হল। দেখা গেল পর্ষদ সভাপতি আদালতের ধাতানি খাওয়ার পরেই চূড়ান্ত প্রশ্নপত্র আপলোড করল।
লকডাউনের ২০২০-তে সাম্প্রদায়িক হিংসা বেড়েছে ৯৬ শতাংশ, পরিসংখ্যান এনসিআরবি-র
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্ষদ সভাপতির উদ্দেশে বলেন, বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় গত দুবছর আগে নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও কেন সেই নির্দেশ মানেননি? আপনি প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি। আপনি যদি আদালতের নির্দেশ অমান্য করেন তাহলে পরে যাঁরা এই পদে আসবেন তাঁরা কি আগামী দিনে নির্দেশ মানবেন?
আদালত স্পষ্ট করে বলেছে, যাঁদের চাকরি দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় দিয়েছিলেন সকলের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এই নিয়ে কোনও টালবাহানা চলবে না। শুধু তাই নয়। সামগ্রিক ভাবে রাজ্যের স্কুলগুলিতে শূন্যপদ অবিলম্বে পূরণের কথা বলেছে আদালত।
আদালত মানিক ভট্টাচার্যের উদ্দেশে আরও বলে, মামলাকারীরা আপনার সন্তানের সমতুল্য। আপনার অনেক টাকা থাকতে পারে ,কিন্তু যাঁরা মামলা করেছেন তাঁরা গত দু'বছর ধরে কলকাতা হাইকোর্টে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টা আপনার অবশ্যই নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল। কিন্তু আপনি নজর দেননি। হাইকোর্টে এরকম একাধিক মামলা রয়েছে এই বিষয়গুলো আপনি যদি বিবেচনা করেন এবং আপনি যদি সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেন তাহলে ভাল হয়।ভবিষ্যতে যে সমস্ত পদ খালি হবে এবং পদে নিয়োগ হবে সেগুলো যাতে অতি দ্রুত নিয়োগ হয় পাশাপাশি যাতে স্বচ্ছতার সাথে হয় আপনি ব্যক্তিগতভাবে সেদিকে নজর দেবেন আপনার কাছে এই প্রত্যাশা করে আদালত।
আদালতে মানিক ভট্টাচার্য জানান, "আমি অত্যন্ত দুঃখিত আমি সত্যিই তাদের পিতার সমতুল্য ।বিভিন্ন সমস্যার জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হয় তবে আমরা চেষ্টা করি যাতে আবেদনকারীরা যাতে উপযুক্ত সূরাহা পান আমি ভবিষ্যতে সেদিকে অবশ্যই নজর রাখব।" তারপর এই মামলার নিষ্পত্তি হয়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'