দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েকদিন আগেই শতাব্দী রায়ের মান ভাঙাতে দৌত্য চালিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে বৈঠকের পর শতাব্দী জানিয়েছিলেন, তিনি সন্তুষ্ট। দিদির সঙ্গেই থাকছেন।
সোমবার হাওড়ার সাংসদ তথা প্রাক্তন ফুটবলার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বৈঠকে বসলেন অভিষেক। ক্যমাক স্ট্রিটের অফিসে সেই বৈঠকে রয়েছেন কুণালও।
সম্প্রতি প্রসূন সংবাদমাধ্যমে মান অভিমানের কথা জানিয়েছিলেন। বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ বলে দিয়েছিলেন, প্রসূন গেরুয়া শিবিরে আসছেন। যদিও প্রসূন প্রথম থেকেই সেসব অস্বীকার করেছিলেন। তবে ক্ষোভ গোপন করেননি।
দ্য ওয়ালকে প্রসূন বলেছিলেন, "আমি অফসাইডে নেই। সেই ট্র্যাপে পড়ার প্রশ্নও নেই। কিন্তু আমি দলের সতীর্থদের থেকে ঠিক মতো বল পাচ্ছি না।”
তাঁর আক্ষেপ, তিনি কিছুই জানতে পারছেন না। তাঁর কোনও পদের বাসনা নেই। কিন্তু এত বদল হয়ে যাচ্ছে তার কোনও খবরই জানতে পারছেন না সাংসদ। আক্ষেপের সুরে প্রসূন বলেন, “হেড অফিস থেকে একটা এসএমএসও কি করা যায় না? আমায় লোকমুখে শুনতে হচ্ছে।”
প্রসূন বলেন, “আমি তো ন'বছর ধরে হাওড়ায় আছি। আমি হাওড়ার হোলটাইমার হয়ে গেছি। কিন্তু তাও আমি কিছুই জানতে পারছি না। নিশ্চয়ই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ, ছবি নিয়ে ভোটে জিতেছি। কিন্তু আমারও তো কিছু ক্যারিশমা রয়েছে।"
অনেকের মতে এদিন সেসব মেটাতেই হয়তো এই বৈঠকের আয়োজন।