তৃণমূল নেতাদের তোলাবাজ বলেছিলেন ত্বহা, পীরজাদার বিরুদ্ধে পোস্টার তারকেশ্বরে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি বরাবরই ঠোঁটকাটা। কখন যে তিনি কার বিরুদ্ধে গর্জে উঠবেন তা অনেকেই হলফ করে বলতে পারেন না। তবে মাঝে বেশ কিছুটা সময় তাঁকে তেমন প্রচারে দেখা যায়নি। অনেকদিন পর ফের আলোচনায় উঠে এলেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা (Pirzada) ত্বহা সিদ্দ
শেষ আপডেট: 6 September 2021 12:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি বরাবরই ঠোঁটকাটা। কখন যে তিনি কার বিরুদ্ধে গর্জে উঠবেন তা অনেকেই হলফ করে বলতে পারেন না। তবে মাঝে বেশ কিছুটা সময় তাঁকে তেমন প্রচারে দেখা যায়নি। অনেকদিন পর ফের আলোচনায় উঠে এলেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা (Pirzada) ত্বহা সিদ্দিকি (Twaha Siddiqui)।
দুদিন আগে অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে এলাকার কিছু তোলাবাজ চিটিংবাজ আছে বলে বক্তব্য রেখেছিলেন ত্বহা। আর পরদিনই তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল তারকেশ্বরের পিয়াসারা জুড়ে।
মাস না পেরোতেই বাংলা জুড়ে সুপারহিট 'দুয়ারে সরকার', শীর্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনা
গত শনিবার তারকেশ্বরের পিয়াসারা এলাকায় একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ফুরফুরা শরীফের পিরজাদা। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারও। ওই অনুষ্ঠানেই একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রশংসা করতে গিয়ে এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের তোলাবাজ বলে তোপ দাগেন ত্বহা সিদ্দিকি। যা নিয়ে হইহই পড়ে গিয়েছে তারকেশ্বরে।
এরপরই রবিবার পিয়াসারা এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে বলে অভিযোগ। তবে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। পোস্টার সম্পর্কে ত্বহা বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজ কিছু নেতা এই ঘটনা ঘটাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীকে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানব। একটা সময়ে ত্বহা বলেছিলেন বিজেপি, আরএসএসের থেকেও ভয়ঙ্কর তৃণমূল। সেই খবরের কাগজের কাটিং দিয়েই পোস্টার সাঁটা হয়েছিল পিয়াসারার দেওয়ালে দেওয়ালে। রবিবার পুলিশ গিয়ে সমস্ত পোস্টার তুলে দেয়। সোমবার ফের একাধিক জায়গায় একই পোস্টার দেখা যায়।
ত্বহা সিদ্দিকির অভিযোগ, এলাকায় কিছু সুবিধাবাদী তৃণমূল নেতা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই ঘটনা ঘটাচ্ছে। যারা দিনে তৃণমূল করে আর রাতে বোমা তৈরি করে তারাই রয়েছে এর পিছনে। এলাকার দু’একজন তোলাবাজ তৃণমূল নেতা এই ঘটনার সাথে জড়িত।
যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কেউ মন্তব্য করতে চাননি। ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রামেন্দু সিংহরায় বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
আগে ভোট আসা মানেই ত্বহা গরম গরম কথা বলতেন। অনেকে বলেন, গত এক দশকের চেনা ছবি ছিল ত্বহা প্রথমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গরম গরম কথা বলবেন, আবার পরে অজ্ঞাত কারণে চুপ করে যাবেন। কিন্তু একুশের ভোটে সেসব হয়নি। কারণ এবার আব্বাস সিদ্দিকি যে ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন কার্যত তাঁর ছায়ায় ঢাকা পড়ে গিয়েছিলেন ত্বহা। তবে ফের তিনি খবরে এলেন। সৌজন্যে পোস্টার।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'