
শেষ আপডেট: 25 April 2022 02:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডাকঘর আছে (Post Office), কিন্তু তার অবস্থা দেখলে শিউরে উঠতে হয়। শুধু এক ফালি ঘর, দরজা-জালনা ভাঙা, চারিদিকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। ডাকঘরের দেওয়ালের মধ্যে দিয়ে গজিয়েছে আগাছা।! এমন পরিস্থিতিতে পরিষেবা পাওয়া তো অলীক স্বপ্ন, তাই গ্রামে পোস্ট অফিস থাকতেও দুই কিমি পথ পেরিয়ে উপ ডাকঘরের (Post Office)যেতে হয় বীরেশ্বরপুরের মানুদের।
কথা হচ্ছে মন্দিরবাজার ব্লকের বীরেশ্বরপুরের শাখা ডাকঘরের। এই ডাকঘরে কর্মী বলতে একজন পোস্টমাস্টার মাত্র। তাও তিনি অসুস্থ থাকায় দায়িত্ব সামলান তাঁর মেয়ে! নিশ্চুপ ডাকঘর কর্তৃপক্ষ।
শিয়ালদহের দক্ষিণ শাখার মাধবপুর স্টেশন। সেই স্টেশন মোড় থেকে লক্ষ্মীকান্তপুরের দিকে এগোলেই রাস্তার ধারে চোখে পড়বে এই ভাঙা ঘরটি। প্রথম দেখায় বোঝার উপায়ই নেই যে ওটা একটা ডাকঘর। মাথার ওপর ভাঙা টিনের চাল, চেয়ার টেবিলের অবস্থাও তথৈবচ। দরজা জালনা না থাকারই সমান। এই ভগ্নপ্রায় ডাকঘরের দায়িত্ব সামলান এলাকার বাসিন্দা প্রবীর হালদার।
কিন্তু তিনিই বা আর কতটা সামলাতে পারেন। অসুস্থতার কারণে আসতেই পারেন না পোস্ট অফিসে। অগ্যাতা দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁর মেয়ে সঙ্গীতা হালদার। তিনিই জানালেন এই ডাকঘরের করুণ কাহিনী। তাঁর কথায়, নামকাবস্তে একটা কম্পিউটার আছে বটে কিন্তু তা চলে না। পরিষেবা দেওয়ার মত নুন্যতম সুবিধাটুকুও নেই এই শাখায়। তাই বাধ্য হয়েই ঘাটেশ্বর উপ ডাকঘরে যেতে হয় গ্রামের মানুষকে।
বারুইপুরে মেন ডাকঘরে জানানো হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, পোস্ট মাস্টার প্রবীরবাবু চেষ্টা করেছিলেন এই ডাকঘরকে বাঁচাতে। কিন্তু তিনি পারেননি। বীরেশ্বরপুরের ডাকঘর সারাদিন কার্যত বন্ধই থাকে। এই ডাকঘরের যা অবস্থা, যে কোনও দিন ভেঙে পড়বে।
সংশ্লিষ্ট কৃষ্ণপুর পঞ্চায়েতের প্রধান স্বরূপ নস্করে কথায়, মানুষ এই ডাকঘর থেকে কোনও পরিষেবা পান না। জয়নগর ডাকঘরে এই বিষয়ে জানানো হলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। যা ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।
দেশজুড়ে ফের বাড়ছে কোভিড! উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী বুধবার বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে