
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 29 December 2024 15:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার মালদহের চাঁচলে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নয়া মোড়। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশন থেকে এই ঘটনায় আবু তাহের নামে একজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। অভিযুক্ত আবু তাহেরের সঙ্গে মৃতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁদের মধ্যে কোনও ঝামেলার থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করেছিল পুলিশ। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহিলা খুনে প্রাক্তন স্বামীর যোগ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
বৃহস্পতিবার সামসি স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে ধৃত যুবকের সঙ্গে এক মহিলাকে দেখা গিয়েছিল। পরে স্টেশন থেকে ওই যুবক যখন বেরিয়ে যান, তখন আর মহিলাকে দেখা যায়নি। পুলিশের অনুমান ছিল সেই রাতেই খুন করা হয়েছিল চাঁচলের ওই মহিলাকে। আর প্রমাণ লোপাটের জন্যই তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেয় খুনি।
ধৃত ব্যক্তি দাবি করেছেন, মহিলাকে নলি কেটে খুন করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। খুনের ঘটনার তিনি একা জড়িত নন, মহিলার প্রাক্তন স্বামীরও হাত রয়েছে। দু’জনে মিলেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। যদিও মৃতার প্রাক্তন স্বামীর এখনও খোঁজ মেলেনি।
শনিবার আমবাগানে পুড়িয়ে দেওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরের জলাশয় থেকে একটি ব্যাগ খুঁজে পান তদন্তকারীরা। যার মধ্যে আধার আর ভোটার কার্ড ছিল। ঘটনাস্থল থেকে আগেই উদ্ধার হয়েছিল রক্তমাখা ছুরি, নাকছাবি, হার ইত্যাদি। নাম-পরিচয় জানতেই পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। তাঁরাই দেহ সনাক্ত করেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, বছর দশেক আগে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানা এলাকায় মহিলার বিয়ে হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তাঁর। সন্তানও আছে দু'টি। বাপের বাড়ির লোকজনের দাবি, প্রাক্তন জামাইয়ের সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগাযোগ নেই।
রবিবার চাঁচল আদালতে তোলার সময়ে অভিযুক্ত দাবি করেন, ওই মহিলার প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে যোগসাজশ করে খুন করেছেন তিনি। খুনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।