
শেষ আপডেট: 15 March 2023 09:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ৪ মার্চ ভোর রাতে কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীর(Kaustav Bagchi) ব্যারাকপুরের বাড়িতে হানা দেয় বড়তলা থানার পুলিশ। তারপর চলে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ। শেষমেশ সকাল আটটা নাগাদ পুলিশ (Police guard) গ্রেফতার করে কংগ্রেসের এই তরুণ নেতা তথা আইনজীবীকে। এই নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিলেন কৌস্তভ। মামলাও করেছিলেন হাইকোর্টে। কৌস্তভের দায়ের করা সেই মামলায় বড়তলা থানার এফআইআরে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট।
কৌস্তভের কথায়, মৌচাকে ঢিল মারার অপরাধেই তাঁর বাড়িতে পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে এই নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল। বুধবার শুনানি হয়।
আদালত বলেছে, কোর্টের অনুমতি ছাড়া কোনও থানা আপাতত কৌস্তভের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী চার সপ্তাহ এই নির্দেশ বলবৎ থাকবে। এমনকী বড়তলা থানার পুলিশ কেন তড়িঘড়ি কৌস্তভের বাড়িতে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও তদন্ত হবে।
কোর্ট জানতে আগ্রহী, কীসের ভিত্তিতে কাকভোরে পুলিশ তাঁর বাড়ি গিয়েছিল। এটা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপন্থী।পাশাপাশি কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে এবিষয়ে আরও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খতিয়ে দেখতে হবে কেস ডায়েরিও। তারপরে পুলিশ কমিশনারকে রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে। এ জন্য তিন সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত।
সেইসঙ্গে আদালত এও বলেছে, কৌস্তভের বাড়িতে পুলিশি নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে হবে। এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্যারাকপুর কমিশনারেটকে। অন্তত পাঁচজন কনস্টেবল দিতে হবে নিরাপত্তার জন্য।
প্রসঙ্গত, সাগরদিঘি নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পাল্টা কৌস্তভ দীপক ঘোষের লেখা বইয়ের পাতা উল্টে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এরপরেই আগুনে যেন ঘি পরে। তবে কৌস্তভের গ্রেফতারি নিয়ে তৃণমূলের মধ্যেও ভিন্ন মত শোনা গিয়েছিল। কুণাল ঘোষ স্পষ্টই বলেছিলেন, রাজনৈতিক বিষয় রাজনীতি দিয়েই মোকাবিলা করা উচিত ছিল। কৌস্তভের বাড়িতে ওভাবে পুলিশের যাওয়া মোটেই ঠিক হয়নি। আবার কেউ কেউ বলেছিলেন, যা হয়েছে ঠিক হয়েছে। অনেকের মতে, এদিন আদালত যা নির্দেশ দিল তাতে মুখ পুড়ল পুলিশেরই।
অনুব্রতর মেয়ে কোথায়? বোলপুর ছেড়েছেন সোমবার, গেলেন না ইডি অফিসেও