
শেষ আপডেট: 1 July 2018 13:30
মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন জয়া দত্ত[/caption]
প্রসঙ্গত উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের কলেজগুলিতে ভর্তি নিয়ে যে ছবি উঠে আসে তা ভয়াবহ। হাজার-হাজার টাকা তোলা আদায়ের অভিযোগ ওঠে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের দিকে। ডেবরার শহিদ ক্ষুদিরাম মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র নেতা সমর পালের বিরুদ্ধে আরও সাংঘাতিক অভিযোগ তোলেন কলেজের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। অভিযোগ, ভর্তির নামে টাকা আদায়ে বাধা দেওয়ায় সমর পাল প্রাণনাশেরও হুমকি দেন অধ্যাপকদের। এই মর্মে তাঁরা ডেবরা থানায় অভিযোগও জানান। এরপরই তৃণমূল ভবনের কয়েকটি ছবি দলের অভ্যন্তরে তোলপাড় ফেলে দেয়। যে ছবির একটিতে দেখা যাচ্ছে সমরের সঙ্গে এক ফ্রেমে রয়েছেন টিএমসিপি’র রাজ্য সভাপতি জয়া দত্ত এবং আরেকটি ছবিতে জয়া মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন সমরকে। এই ছবি দেখার পরই জয়ার উপর যার পর নাই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। দলীয় সূত্রের খবর, টিএমসিপি’র রাজ্য সভাপতি বদলের সলতে পাকানো শুরু হয়ে গিয়েছে। জয়ার বদলে কে হবেন রাজ্য সভাপতি সে সম্পর্কে পাঁচ জনের নামও তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, পাঁচ জন রয়েছেন ওই তালিকায়। গৌতম ভট্টাচার্য, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, সার্থক বন্দ্যোপাধ্যায়, মণিশঙ্কর মণ্ডল এবং রুমানা আখতার। ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। তার আগে রয়েছে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ। এই দুটি কর্মসুচির পরেই ছাত্র সংগঠনের সভাপতি বদল হবে নাকি এর আগেই নতুন হাতে যাবে টিএমসিপি’র রিমোট এখন সেটাই দেখার।
তৃণমূলের আরেকটি অংশ অবশ্য বলছেন, ২০১৯-এর আগে সাংগঠনিক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আর জয়ার পরিবর্ত হিসেবে যাঁদের নাম উঠে আসছে তাঁদের রাজনৈতিক পরিপক্কতা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। তাই শাসক দলের এই অংশের মতে, এ যাত্রায় হয়তো জয়াকে সতর্ক করেই ছেড়ে দিতে পারে দল।